Alexa ধর্ষণের কঠোর শাস্তির শীর্ষে যেসব দেশ!

ধর্ষণের কঠোর শাস্তির শীর্ষে যেসব দেশ!

আঁখি আক্তার ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:২৫ ১৩ জুলাই ২০১৯  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সারা বিশ্বেই এখন ধর্ষণ একটা আতংকের নাম। শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক সবাই এখন এর শিকার। নৃশংস আর অভিনব কায়দায় ধর্ষণ ও গণধর্ষণ করে চলছে দুর্বৃত্তরা। বাংলাদেশসহ প্রায় সারা বিশ্বেই বেড়ে চলেছে ধর্ষণের সংখ্যা। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে ১৫ বছর বয়স হওয়ার আগেই, শতকরা ৩৩ জন মেয়ে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। তবে এমন পরিস্থিতি সামলাতে বসে নেই দেশের সরকারও। তাই প্রতিনিয়তই এমন আতংক ঠেকাতে জারি করছে নতুন নতুন আইন। চলুন আজ আপনাদের জানাবো বিশ্বজুড়ে যে দেশগুলো ধর্ষণের কঠোর শাস্তি হিসেবে যেসব আইনের ব্যবস্থা করেছেন-  

চীন
চীনে ধর্ষণের শাস্তি বলতেই সরাসরি মৃত্যুদণ্ড। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝাতে ধর্ষকের যৌনাঙ্গ কেটে দেয়া হয়।

ফ্রান্স
ফ্রান্সে ধর্ষণের শাস্তি অন্তত ১৫ বছরের কারাদণ্ড। সঙ্গে করা হয় অমানবিক শারীরিক নির্যাতন। তাছাড়া ভিকটিমের ক্ষতি কতটা গুরুতর, তার ওপর নির্ভর করে ধর্ষকের সাজা বাড়িয়ে ৩০ বছর থেকে আমৃত্যু কারাদণ্ড পর্যন্তও করা হতে পারে।

রাশিয়া
রাশিয়ায় ধর্ষণের শাস্তি কমপক্ষে ৩ বছরের কারাদণ্ড। ভিকটিমের ক্ষতি কতটা গুরুতর, তার ওপর নির্ভর করে ধর্ষকের সাজা বাড়িয়ে ৩০ বছর পর্যন্ত করা হতে পারে।

গ্রিস
গ্রিসে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার একমাত্র শাস্তি আগুনে পুড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড।

সৌদি আরব
সৌদি আরবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে রায় ঘোষণার কিছুদিনের মধ্যেই জনসম্মুখে শিরশ্ছেদ করে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাত
সংযুক্ত আরব আমিরাতে যৌন নির্যাতন বা ধর্ষণের সাজা সরাসরি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড। এক্ষেত্রে কোনো ক্ষমা নেই, ধর্ষণ করলেই অপরাধ প্রমাণের ৭ দিনের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড পেতে হবে।

ইরান
ইরানে সাধারণত ধর্ষককে জনসম্মুখে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে অথবা গুলি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। কোনো ক্ষেত্রে যদি ধর্ষণের শিকার ব্যক্তি অনুমতি দেন তবে অপরাধী মৃত্যুদণ্ড থেকে বাঁচতে পারে। তবে তখনো ধর্ষককে জনসম্মুখে একশ’ দোররা মারা হবে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

ভারত
২০১৩ সালে ধর্ষণবিরোধী আইন পাশের পর থেকে ভারত ধর্ষণের শাস্তি আগের চেয়ে আরো কঠোর করেছে। দেশটিতে ধর্ষককে সাজা হিসেবে ৭ বছর থেকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। তবে বিরল হলেও কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ধর্ষককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার নজির রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে দুই ধরনের আইন প্রচলিত – অঙ্গরাজ্য আইন এবং ফেডারেল আইন। ধর্ষণ মামলাটি ফেডারেল আইনের অধীনে পড়লে ধর্ষককে অর্থদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়ে থাকে। তবে অঙ্গরাজ্য আইনের অধীনে পড়লে সাজার প্রকৃতি নিশ্চিত নয়। কেননা দেশটির একেক অঙ্গরাজ্যে ধর্ষণের শাস্তি একেক রকম।

ইসরায়েল
ইসরায়েলে ধর্ষক ব্যক্তি ন্যূনতম ৪ থেকে সর্বোচ্চ ১৬ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়ে থাকে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ

Best Electronics
Best Electronics