দ্বিতীয় দফায় ৫০০ বোতল হ্যান্ড স্যানিটাজার তৈরি হাবিপ্রবির 

দ্বিতীয় দফায় ৫০০ বোতল হ্যান্ড স্যানিটাজার তৈরি হাবিপ্রবির 

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:৪৬ ২৭ মার্চ ২০২০  

রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে হ্যান্ড স্যানিটাজার তৈরিতে সহায়তা করেন অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা, সহকারী অধ্যাপক ড. উত্তম কুমার সরকারসহ রসায়ন বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। 

রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে হ্যান্ড স্যানিটাজার তৈরিতে সহায়তা করেন অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা, সহকারী অধ্যাপক ড. উত্তম কুমার সরকারসহ রসায়ন বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। 

রসায়ন বিভাগের তত্ত্বাবধানে দ্বিতীয় দফায় বৃহস্পতিবার হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ৫০০ বোতল হ্যান্ড স্যানিটাজার তৈরি করেছে। মূলত হাবিপ্রবির শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্থানীয়দের করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষায় তৈরি করা হয় এসব স্যানিটাজার।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কর্তৃক অনুমোদিত আইসোপ্রোপানল (Isopropanol), গ্লিসারল (Glycerol), হাইড্রোজেন-পারক্সাইড (Hydrogen-peroxide), লেমন ওয়েল ও বিশুদ্ধ পানি হ্যান্ড স্যানিটাজার তৈরিতে ব্যবহৃত করা হয়।   

হাবিপ্রবির বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে হ্যান্ড স্যানিটাজার তৈরিতে সহায়তা করেন অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা, সহকারী অধ্যাপক ড. উত্তম কুমার সরকারসহ রসায়ন বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। 

এ সময় বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নাজিম উদ্দিন বলেন, এই মুহূর্তে পুরো বিশ্ব স্থবির। সবার উচিত করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সচেতন থাকা। একমাত্র সচেতনতাই পারে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে আমাদের সবাইকে রক্ষা করতে। আমাদের তৈরি হ্যান্ড স্যানিটাজার প্রায় অর্ধেকের মতো সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। যা বিশ্ববিদ্যালয় খুললে বিভিন্ন বিভাগে সরবরাহ করা হবে। এছাড়া আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরা এরইমধ্যে বাকি অর্ধেক  হ্যান্ড স্যানিটাজার বিনামূলে বিতারণ করা শুরু করেছে। তবে বর্তমান সময়ে আইসোপ্রোপানলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তি কিংবা সংগঠন যদি এই রাসায়নিক দ্রবটি সংগ্রহ করে দিতে পারে তবে আমরা আরো হ্যান্ড স্যানিটাজার তৈরি করে দিতে পারবো। মূলত সবগুলি স্যানিটাইজার বিনামূলে বিতারণের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, হাবিপ্রবির রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতিয়া ফারহানার নেতৃত্বে রসায়ন বিভাগ গত ২৪ মার্চ প্রথম দফা হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম