‘দিনটি দেশের অন্ধকারতম দিনগুলোর একটি’ 
Best Electronics

নিউজিল্যান্ডে হামালায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী

‘দিনটি দেশের অন্ধকারতম দিনগুলোর একটি’ 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:২৫ ১৫ মার্চ ২০১৯   আপডেট: ১২:৩৩ ১৫ মার্চ ২০১৯

জেসিন্ডা আরডার্ন। ফাইল ছবি

জেসিন্ডা আরডার্ন। ফাইল ছবি

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে শুক্রবার বন্দুকধারীর হামলায় প্রাণহাণির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। এ বন্দুক হামলার ঘটনার পর দেয়া এক ভাষণে তিনি একে ‘নিউ জিল্যান্ডের অন্ধকারতম দিনগুলোর একটি’ বলে মন্তব্য করেছেন। এছাড়া নিউজিল্যান্ডে এ ধরনের হামলাকে ‘নজিরবিহীন সহিংস কর্মকাণ্ড’ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৪০ এর দিকে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে বন্দুকধারীরা হামলা চালায়। শহরের হ্যাগলি পার্কমুখী সড়ক ডিনস এভিনিউতে আল নূর মসজিদ এবং লিনউডের আরেকটি মসজিদের কাছ থেকে গুলির শব্দ শোনা যায়। 

হামলার পর পুলিশের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকজন হতাহত হওয়ার কথা জানালেও এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা প্রকাশ করা করা হয়নি। তবে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, এ হামলায় কমপক্ষে ৩০ জনের মতো নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরো অনেকে। তবে নিহতের সংখ্যা আরো অনেক বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে এক নারীসহ ৩ বাংলাদেশীও রয়েছেন বলে জানা গেছে। 

নিউজিল্যান্ড পুলিশ এ বন্দুক হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে এক নারীসহ ৪ সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে আটক করেছে। আর কোনো বন্দুকধারী পালিয়ে আছে কিনা, তা নিশ্চিত হতে অভিযান চলছে। 

হামলার পর জাতির উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। তিনি বলেন, 'এ মুহূর্তে প্রাণহাণির সংখ্যা আমি নিশ্চিত করতে পারব না। তবে এটা স্পষ্ট করে বলতে পারি যে এ দিনটি নিউজিল্যান্ডের অন্ধকারতম দিনগুলোর একটি।'

জেসিন্ডা আরো বলেন, নিউজিল্যান্ডে ‘দুষ্কৃতকারীদের কোনো জায়গা নেই’। তার দাবি, অভিবাসী, শরণার্থীসহ হামলার শিকার হওয়া সবাই নিউজিল্যান্ডের অংশ, কিন্তু দুষ্কৃতকারীরা নয়। নিউজিল্যান্ডের সমাজে এ ধরনের সহিংস হামলার কোনো জায়গা নেই বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।

জেসিন্ডা জানান, ক্রাইস্টচার্চে হামলার শিকার হওয়া মানুষদের কাছে তার মন পড়ে আছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, কথা বলার সময় কোনো রকমে কান্না আটকে রাখছিলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী/জেডআর

Best Electronics