ত্রাণে অনিয়ম: কাউন্সিলর ও ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

ত্রাণে অনিয়ম: কাউন্সিলর ও ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:১১ ৩১ মে ২০২০  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম ও চাল আত্মসাতের অভিযোগে আরো এক কাউন্সিলর ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

রোববার স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বরখাস্তপ্রাপ্তরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ১২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম নেহার এবং শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার আরশীনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দোহা।  

দেশে করোনা পরিস্থিতি শুরুর পর থেকে এ নিয়ে মোট ৭৪ জন জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এদের মধ্যে ২৪ জন ইউপি চেয়ারম্যান, ৪৫ জন ইউপি সদস্য, ১ জন জেলা পরিষদ সদস্য, ৩ জন পৌর কাউন্সিলর এবং ১ জন উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, রফিকুল ইসলাম নেহারের বিরুদ্ধে কর্মহীন দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে বিশেষ ওএমএস কার্যক্রমের আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ আসে। তিনি নিজের পরিবারের সচ্ছল সদস্য ও আত্মীয়স্বজনসহ ১৬ ব্যক্তির নাম ওএমএসের ভোক্তা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। কাজেই স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩১(১) অনুযায়ী তাকে স্বীয় পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।

আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দোহা মৎস্যজীবীদের ভিজিএফের ৩৫ বস্তা চাল আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে জেলে রয়েছেন এবং শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছেন। কাজেই স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তাকে স্বীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

একই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার আরশীনগর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএইচআর/আরএইচ