Alexa তিমির পেটে মিলল ১০০ কেজি প্লাস্টিক

তিমির পেটে মিলল ১০০ কেজি প্লাস্টিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০৮:৩৩ ৫ ডিসেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০৮:৩৭ ৫ ডিসেম্বর ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

দূষণে বিপন্ন হচ্ছে পৃথিবী। ক্রমশই প্লাস্টিকের স্তূপে পরিণত হচ্ছে গোটা পৃথিবী। নিজেদের বাসভূমিকে আর কবে বাসযোগ্য করে তোলার জন্য সচেতন হব আমরা, সেই প্রশ্নই যেন বারবার সামনে আসছে।  

ফের পরিবেশ দূষণের বলি তিমি। স্কটল্যান্ডের সমুদ্রতট থেকে ওই তিমিটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার পেট থেকে প্রায় ১০০ কেজি ওজনের প্লাস্টিক কাপ, ব্যাগ, গ্লাভস, মাছ ধরার জাল বের করা হয়েছে। 

মর্মান্তিক এই ঘটনা এরই মধ্যেই ঝড় তুলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পৃথিবী যে ক্রমশ প্লাস্টিক বর্জ্যের জেরে ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে, এই ঘটনা তা প্রমাণ করে দিচ্ছে বলে দাবি পরিবেশপ্রেমীদের।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, স্কটল্যান্ডের সমুদ্রসৈকতে ওই তিমিটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তা নজরে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পর্যটকদের। তারা এগিয়ে গিয়েই বুঝতে পারেন প্রাণের স্পন্দন আর নেই। সকলেই নিশ্চিত হন যে মারা গেছে তিমিটি। 

খবর দেওয়া হয় স্কটিশ মেরিন অ্যানিম্যাল স্ট্র্যান্ডিং স্কিম নামে এক সংস্থাকে। সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিমির মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখার চেষ্টা করে। তাতেই দেখা গেছে যে শুধুমাত্র প্লাস্টিক বর্জ্য ওই তিমির মৃত্যুর প্রধান কারণ। তার পেট থেকে প্রায় ১০০ কেজি ওজনের প্লাস্টিক কাপ, ব্যাগ, গ্লাভস, মাছ ধরার জাল পাওয়া গেছে। 

ড্যান পেরি নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। তিমির পেট থেকে প্লাস্টিক উদ্ধারের ঘটনায় আরো একবার প্রমাণিত দূষণ ঠিক কতটা ভয়াবহ আকার নিয়েছে। 

এ বিষয়ে স্কটিশ মেরিন অ্যানিম্যাল স্ট্র্যান্ডিং স্কিমের সদস্য ওই তিমির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। তিনি লেখেন, ওই তিমির পেট থেকে প্রচুর পরিমাণ প্লাস্টিক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। পুরোটাই বলের আকার নিয়ে ফেলেছিল। সমুদ্রের পাড়ে কী ফেলা হবে আর কোনটা নয় তা নিয়ে আমাদের ভাবার সময় এসেছে। সাধারণ মানুষের অসচেতনতায় প্লাস্টিক দূষণ ভয়াবহ আকার নিয়েছে। এই পোস্টটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। বেশিরভাগ নেটিজেন ছবি দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

এর আগেও একাধিকবার প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে তিমি এবং হরিণের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। তা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ছে কই? পরিবর্তে দিন যত যাচ্ছে ততই বাড়ছে অসচেতনতা। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে