তিন দিনের কোয়ারেন্টাইন ও দলগত ডিনারে দাবি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর

আইপিএল-২০২০

তিন দিনের কোয়ারেন্টাইন ও দলগত ডিনারে দাবি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৪৩ ৫ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৭:৪৩ ৫ আগস্ট ২০২০

আইপিএল এর ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

আইপিএল এর ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

মহামারি করোনা সংকট কাটিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গড়াতে যাচ্ছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের(আইপিএল) এবারের আসর। তবে বেশ কিছু নির্দেশনা বেঁধে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড(বিসিসিআই)।  তবে তার কিছু রদ বদলের আবেদন করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।

নির্দেশিকায় ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছনোর পর ক্রিকেটারদের ছয় দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। তবে ছয় নয়, তিন দিনের কোয়ারেন্টাইন চাইলো ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। 

একইসঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা আইপিএল চলাকালীন সময়ে দলগত ও পারিবারিক নৈশভোজের অনুমতি চেয়েছে। তবে সেটা করা হবে অনেক আগে দেয়া নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে। চাওয়া হয়েছে বাইরে থেকে হোটেলে খাবার আনার অনুমতিও।

বোর্ডের নির্দেশিকা অনুসারে আমিরাতে পৌঁছনোর প্রথম, তৃতীয় ও ষষ্ঠ দিনে ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের পরীক্ষা করা হবে। তাতে পাশ করলেই অনুশীলন শুরু করা যাবে। 

এ ছাড়া ৫৩ দিনের প্রতিযোগিতায় প্রত্যেক পাঁচ দিন অন্তর করোনা টেস্ট করা হবে। কিন্তু, ফ্র্যাঞ্চাইজিরা চাইছে ক্রিকেটাররা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যেন অনুশীলনে নেমে পড়েন। অধিকাংশ ক্রিকেটারই গত কয়েক মাসে ব্যাট-বলের সঙ্গে সম্পর্কহীন অবস্থায় রয়েছেন। তাই তাদের তিন দিনের কোয়ারেন্টাইনের পর অনুশীলনে নামাতে চাওয়া হচ্ছে।

এর আগে বোর্ড জানিয়ে দিয়েছে ২০ অগস্টের আগে দলগুলো যেন আমিরাতের উদ্দেশে রওনা না হয়। কিন্তু, চেন্নাই সুপার কিংস চেয়েছিল আগে আমিরাতে পৌঁছে অনুশীলন শুরু করতে। তাই বোর্ডের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে যে ১৫ অগস্ট নাগাদ রওনা হওয়া সম্ভব কি না। যাতে কোয়ারেন্টাইন পর্ব মেটার পরও প্রস্তুতির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া যায়।

বোর্ডের নির্দেশিকা অনুসারে ক্রিকেটারদের পরিবার ও দলের মালিকদের থাকতে হবে বায়ো-সিকিউর পরিবেশে। এটাতেও আপত্তি রয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের। বলা হচ্ছে যে টিমের মালিকদের পক্ষে প্রায় তিন মাস ওই জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা মুশকিল। কিন্তু তা না থাকলে স্কোয়াডের সঙ্গে মেলামেশা করা সম্ভব নয়।

কোয়ারেন্টাইন পর্ব চলাকালীন ক্রিকেটাররা সতীর্থদের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারবেন না। অন্তত তিনটি কোভিড-১৯ টেস্টের পর সেই অনুমতি মিলবে। 

দলগুলো থাকবে আলাদা আলাদা হোটেলে। যেহেতু লম্বা প্রতিযোগিতা, তাই সময় কাটানোর জন্য গল্ফ খেলা ও দলগত ও পারিবারিক ডিনারের অনুমতি চাইছে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। 

ইংল্যান্ড বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজের উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু রেস্তোরাঁ বা আগে থেকে নির্ধারিত কোনো যাওয়ার ব্যবস্থা করা সম্ভব কি না। প্রায় ৮০ দিনেরও বেশি ওই সুরক্ষা বলয়ে থাকবেন ক্রিকেটাররা। স্বাদ বদলানোর জন্য বাইরে থেকে হোটেলে খাবার আনানো যায় কি না, সেটাও জানতে চাওয়া হয়েছে। তা ছাড়া দলের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও স্পনসরের অনুষ্ঠানে ক্রিকেটাররা থাকতে পারবেন কি না, তা নিয়েও স্পষ্ট ধারণা চাওয়া হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস