Alexa তিন গ্রামের দুর্ভোগ

তিন গ্রামের দুর্ভোগ

পিরোজপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০১:৫৭ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ০১:৫৮ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

পিরোজপুর সদর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিন খালে নির্মানাধীন লোহার সেতুর একাংশ ভেঙে গেছে। সাঁকো  তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতেন গ্রামবাসী। 

গত ২৫ ডিসেম্বর রাতে সেতুটির মাঝখানের অংশ ভেঙে যায়। সেতু ভেঙে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন তিন গ্রামের প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ।
 
২০০৬ সালে বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিন খালের ওপর ৭০ ফুট দৈর্ঘের লোহার সেতু নির্মাণ করা হয়। দুই বছর আগে একটি বালুবাহী ট্রলার খাল দিয়ে যাওয়ার সময় সেতুর সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে সেতুটি নড়বড়ে হয়ে পড়ে। ২০১৭ সালের জুলাইতে সেতুর উত্তর অংশ ভেঙে পড়ে। এরপর থেকে স্থানীয় লোকজন চলাচলের জন্য সেতুর ভাঙা অংশে সুপারি ও বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে আসছে। গত ২৫ ডিসেম্বর রাতে সেতুটির মাঝ খানের অংশ ভেঙে যায়। এরপর ছয় কিলোমিটার পথ ঘুরে চলাচল করছে তিন গ্রামের বাসিন্দারা। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর উত্তর দিকে মধ্য বাঁশবাড়িয়া গ্রাম। দক্ষিণ দিকে রয়েছে দক্ষিণ বাঁশবাড়িয়া ও বাদুরা গ্রাম। তিন গ্রামে পাঁচ হাজার মানুষ চলাচলের জন্য সেতুটির ওপর নির্ভরশীল। মধ্য বাঁশবাড়িয়া গ্রামের শতাধিক শিশু প্রতিদিন সাঁকো পার হয়ে দক্ষিণ বাঁশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করত। অপর দিকে দক্ষিণ বাঁশবাড়িয়া ও বাদুরা গ্রামের মানুষ সাঁকোটি পার হয়ে জি হায়দার মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হাট বাজার, হাসপাতাল ও জেলা সদরে যাতায়াত করতেন। 

জি,হায়দার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র আবদুল্লাহ আল মুয়ীন বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় ছয় কিলোমিটার ঘুরে শংকরপাশা গ্রামের এ কে এম এ আউয়াল ফাউন্ডেশনের সামনের সেতু দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। 

উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল হালিম মৃধা বলেন, সেতুটি মেরামত করতে আট থেকে ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন। এলজিইডির সেতু মেরামতের জন্য তহবিল নেই। অর্থাভাবে উপজেলা পরিষদ সেতুটি মেরামত করতে পারছে না। 

এলজিইডি পিরোজপুর সদর উপজেলা প্রকৌশলী আবদুস সাত্তার বলেন, এলজিডি এখন আর লোহার সেতু নির্মাণ করছে না। পুরাতন লোহার সেতুগুলো মেরামতের জন্য বরাদ্দ নেই। এ কারণে সেতুটি মেরামত করা যাচ্ছে না। আমরা  গার্ডার সেতু নির্মাণ করার জন্য শিগগিরই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠাবো।   

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম

Best Electronics
Best Electronics