তারেক-মিশুকের ঘাতক সেই বাসচালকের মৃত্যু

তারেক-মিশুকের ঘাতক সেই বাসচালকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:০২ ১ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৭:০৪ ১ আগস্ট ২০২০

ইনসেটে বাসচালক জামির হোসন। ফাইল ছবি

ইনসেটে বাসচালক জামির হোসন। ফাইল ছবি

তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরের সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ঘাতক বাসচালক জামির হোসেন মারা গেছেন।

শনিবার রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি গত শুক্রবার কাশিমপুর কারাগারে থাকাবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন। 

জামির হোসেন চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর দৌলতদিয়াড় আব্দুর রহিমের ছেলে। নিহত জামির হোসেন চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স পরিবহনের চালক ছিলেন। 

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ঘিওর উপজেলার পুকুরিয়া নামক স্থানে ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট দুপুরে ওই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে চলচ্চিত্র পরিচালক তারেক মাসুদদের বহনকারী মাইক্রোবাসের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হন।

ওইদিনই ঘিওর থানার এসআই লুৎফর রহমান দুর্ঘটনাজনিত কারণে মৃত্যুর অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান ঘিওর থানার তৎকালীন ওসি আশরাফ উল ইসলাম। 

দুর্ঘটনার পরের দিন চালক জামির হোসেনকে মেহেরপুর জেলার চৌগাছা গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। একই বছরের ১৭ নভেম্বর জামিনে মুক্ত হন তিনি। 

পরে ২০১২ সালের ২১ মার্চ মানিকগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এতে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, সাধারণ জখম, গুরুতর জখম, অবহেলার কারণে মৃত্যু ঘটানো ও মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ আনা হয়।

আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে ২০১২ সালের ১০ অক্টোবর বিচারকাজ শুরু হয়। ২০১৩ সালের ১৩ জানুয়ারি মামলাটি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়।

জামির হোসেনকে ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। এরপর থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে সাজাভোগ করছিলেন তিনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর