‘তারেক জিয়া কোনো দিন দেশে আসতে পারবেন না’

‘তারেক জিয়া কোনো দিন দেশে আসতে পারবেন না’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৯:৪১ ১৫ মার্চ ২০২০  

বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কার্যালয়েে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কার্যালয়েে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বলেছেন, তারেক জিয়া কৃষকের টাকা আত্মসাৎ করে হাওয়া ভবন তৈরি করেছিলেন। অর্থ পাচারের দায়ে তিনি কারাদণ্ডে দণ্ডিত। তাই বিদেশে পালিয়ে আছেন। আর কোনো দিন তিনি বাংলাদেশে আসতে পারবেন না।

রোববার বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে '১৫ মার্চ কৃষক হত্যা দিবস' উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি। ১৯৯৫ সালের মার্চ মাসে বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে সারাদেশে নির্ধারিত মূল্যে সারের দাবিতে আন্দোলনরত নিহত ১৮ জন শহীদ কৃষকদের স্মরণে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আব্দুর রহমান বলেন,খালেদা জিয়ার ছেলে (তারেক রহমান)  অর্থ পাচারের দায়ে কারাদণ্ডে দণ্ডিত।  বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করে প্রমাণ করেছে তারেক জিয়া মানি লন্ডারিং করেছেন।  বিএনপি কৃষকের রক্ত নিয়েছে, কৃষকের জীবন নিয়েছে, সেই দল কোনো দিন বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসতে পারবে না। 

তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া কৃষকের ন্যায দাবিতে সার দেননি। তাই কৃষকরা আন্দোলন করেছিলেন। এজন্য কৃষকদের জীবন কেড়ে নেন খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়া শুধু কৃষকদের রক্ত নেননি।  তিনি শ্রমিক ও ছাত্রদের রক্ত নিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার রক্ত নেয়ার জন্যও মাঠে নেমেছিলেন, গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিলেন। ইতিহাস তার বিচার করতে ভুল করে না। খালেদা জিয়া এখন এতিমের টাকা আত্নসাতের দায়ে কারাগারে আছেন।

আব্দুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। বিএনপির আমলে ৫ কেজি সারের জন্য  কৃষকদের দিনভর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। মারামারি করতে হতো, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করতে হতো, তারপরেও সার পেতেন না। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে সেই সারের সমস্যা আর নেই।  শেখ হাসিনার সরকারের অন্যতম একটি সাফল্য হলো কৃষকদের জন্য খুব কম দামে সহজে সারের ব্যবস্থ করা। যে কোনো হাট-বাজারে সার পাওয়া যায়।  সেই সার শুধু পযাপ্ততই নয়, বিনামূল্যে সার বিতরণ করা হয় কৃষকদের মাঝে।

কৃষক লীগের সভাপতি সমির চন্দ চন্দ্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী  ড.আব্দুর রাজ্জাক, কৃষক লীগের নেতাকর্মীরা । এ সময় ১৯৯৫ সালের মার্চ মাসে বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে সারাদেশে নির্ধারিত মূল্যে সারের  দাবিতে আন্দোলনকারী নিহত ১৮ জনের পরিবারের মধ্যে দশ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জাআ/এসএএম