তামিমের ভাইকে যে কারণে খেতে দেননি রোহিতের স্ত্রী

তামিমের ভাইকে যে কারণে খেতে দেননি রোহিতের স্ত্রী

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:১৭ ১৬ মে ২০২০   আপডেট: ১৬:২৩ ১৬ মে ২০২০

স্ত্রীর সঙ্গে রোহিত শর্মা (বামে) ও নাফিস ইকবাল (ডানে)

স্ত্রীর সঙ্গে রোহিত শর্মা (বামে) ও নাফিস ইকবাল (ডানে)

ক্রিকেটভক্তদের কাছে রোহিত শর্মার স্ত্রী ঋতিকা সাজদেহ একটি পরিচিত নাম। ভারতের ম্যাচ মানেই গ্যালারিতে তার সরব উপস্থিতি। পুরোটা সময়জুড়ে দলকে সমর্থন দিয়ে যান তিনি। তার সঙ্গে একটি অন্যরকম স্মৃতি আছে তামিম ইকবালের ভাই নাফিস ইকবালের। শুক্রবার ঘটনাটি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন তামিম ইকবাল ও রোহিত শর্মা। 

করোনাভাইরাসের এই সময়ে ভক্তদের জন্য লাইভ আড্ডা নিয়ে এসেছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তার আড্ডায় শুক্রবার রাতের অতিথি ছিলেন রোহিত শর্মা। সেখানেই কথা প্রসঙ্গে উঠে আসে নাফিস ইকবালের বিষয়টি। 

২০১৮ সালের আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে ছিলেন নাফিস ইকবাল। অবশ্য খেলার জন্য নয়, মুস্তাফিজুর রহমানের দোভাষী হিসেবে কাজ করতে গিয়েছিলেন তিনি। তার নাম শুনেই রোহিত বলে ওঠেন, 'আমি তার কথা জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিলাম। উনি আমাদের সঙ্গে গত আইপিএলের আগেরবার ছিলেন। যখন মোস্তাফিজুর ছিল দলে। তাকে আমার শুভকামনা জানিও।'

এরপর ভারতীয় ওপেনার বলেন, 'আমি আমার স্ত্রীকে তোমার সঙ্গে এই আড্ডার কথা বলেছিলাম। তখন সে বলল নাফিস ভাইকে হাই বলতে। তুমি কি জান কেন তাকে সে মনে রেখেছে? কারণ এয়ারপোর্টে নাফিস ভাই তাকে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিয়েছিল। আমার স্ত্রী ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ভালোবাসে। তাকে যেই ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দেয়, তাকেই সে খুব পছন্দ করে।'

তখন তামিম জানান, ২০১৮ আইপিএলের এক ম্যাচে নাকি ঋতিকার জন্য ক্ষুধায় মরতে বসেছিলেন নাফিস। তিনি বলেন, 'আমার ভাই তার (রোহিতের স্ত্রী) সঙ্গে বসে খেলা দেখছিল। তারা পরিবারের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে বসেছিল। আমার ভাইয়ের ভয়ংকর ক্ষুধা পেয়েছিল, কিছু খেতে চাইছিল। সে চাইছিল কিছু খেয়ে আসতে কিন্তু ভাবী তাকে যেতেই দিচ্ছিল না। তিনি বলছিলেন, 'না, এখানেই থাকবে হবে, খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোথাও যাওয়া যাবে না।' আমার ভাই তো ক্ষুধায় মরে যাচ্ছিল।'

তামিমের কথা শুনে হাসতে থাকেন রোহিত। এরপর তিনি জানান, ঋতিকার পাশে বসে খেলা দেখলে এমন হওয়াই স্বাভাবিক। দ্য হিটম্যান বলেন, 'সে খুব কুসংস্কারে বিশ্বাস করে। খেলায় কোনো কিছু ভালো চলতে থাকলে কেউ যদি নির্দিষ্ট কোথাও বসে, তাদের নড়তে দেয় না সে। আমি নিশ্চিত ওই দুই মাসে ঋতিকা ও নাফিস ভাইয়ের মাঝে ভালো বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়েছিল। একারণে সে এভাবে বসে থাকতে বলেছে। কারণ, সম্পর্ক ভালো না হলে কাউকে এভাবে কিছু বললে কী মনে করবে তার তো ঠিক নেই।' 

ডেইলি বাংলাদেশ/এএল