ডিএনসিসির ঈদ উপহার পাবে ৮৬ হাজার পরিবার

ডিএনসিসির ঈদ উপহার পাবে ৮৬ হাজার পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২১:১৫ ২১ মে ২০২০  

মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) নিজস্ব তহবিল থেকে ৮৬ হাজার দুস্থ ও অসহায় পরিবারকে ঈদ-উপহার পাঠানো হবে।

বৃহস্পতিবার ডিএনসিসির ওয়ার্ড কাউন্সিলর, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সভায় তিনি এ কথা জানান।

সভায় জানানো হয়, ৫৪ জন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ১৮ জন সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলরের প্রত্যেকের মাধ্যমে ১ হাজার করে মোট ৭২ হাজার পরিবারকে ঈদ উপহার দেয়া হবে। এছাড়া অন্যদের মাধ্যমে আরো ১৪ হাজার পরিবারের মাঝে এ উপহার বিতরণ করা হবে। ঈদ-উপহারের প্রতিটি প্যাকেটে চিনি ১ কেজি, সুজি ৫০০ গ্রাম, মুসুর ডাল ১ কেজি, মিনিকেট চাল ২ কেজি, ময়দা ১ কেজি ও গুড়া দুধ ২৫০ গ্রাম থাকবে।

এ সময় যেসব পরিবার এরইমধ্যে মানবিক সহায়তা, ওএমএস কার্ড ও অন্য কোনোভাবে ত্রাণ সামগ্রী পাননি মেয়র তাদের মাঝে এসব ঈদ-উপহার বিতরণ করার নির্দেশ দেন।

কোনো পরিবারকে যেন একাধিকবার ঈদ-উপহার দেয়া না হয় সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি। ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান সমাজ কল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে এসব ঈদ-উপহার বিতরণ করার পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়া করোনাভাইরাস মোকবিলায় চলমান অন্যান্য ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে সভা উল্লেখ করা হয়। 

মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, ডিএনসিসি এলাকার ১ হাজার ৮৯০টি মসজিদের ইমামদের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা এবং মুয়াজ্জিনদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে ঈদ-উপহার এরইমধ্যে পাঠানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষতার সঙ্গে যেভাবে দুর্যোগ মোকাবিলা করছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আমাদের অক্ষরে-অক্ষরে পালন করতে হবে। দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। সব ত্রাণ সামগ্রী বা ঈদ-উপহার স্বচ্ছতার সঙ্গে বিতরণ করতে হবে।

মেয়র আরো বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দুই মাস ধরে হোল্ডিং ট্যাক্সসহ অন্যান্য রাজস্ব আদায় বন্ধ রয়েছে। রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রসারিত এলাকার কলকারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো অবিলম্বে কর এর আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এডিস মশা প্রতিরোধে চলমান চিরুনি অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যক্তি মালিকানাধীন বাসা-বাড়ি, ভবন, নির্মাণাধীন স্থাপনা ছাড়াও যেকোনো প্রতিষ্ঠান, এমনকি সরকারি প্রতিষ্ঠানেও এডিস মশার লার্ভা কিংবা এর বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঈদের নামাজের জামাত প্রসঙ্গে আতিকুল বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কোনো অবস্থাতেই বাইরে ঈদের জামাতের আয়োজন করতে দেয়া যাবে না। এ জন্য সব কাউন্সিলরকে সচেতন থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- সব ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই, সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা, প্রধান সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা তাজিনা সারোয়ার প্রমুখ।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস.আর/এমআরকে