Alexa ডিউটি শেষে সম্ভ্রম নিয়ে বাসায় ফিরতে পারলেন না গার্মেন্টসকর্মী

ডিউটি শেষে সম্ভ্রম নিয়ে বাসায় ফিরতে পারলেন না গার্মেন্টসকর্মী

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০১:১৫ ৯ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ০২:০৩ ৯ অক্টোবর ২০১৯

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

ডিউটি শেষে সম্ভ্রম নিয়ে বাসায় ফিরতে পারলেন না এক নারী গার্মেন্টসকর্মী। পথেই তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছে। সাত ধর্ষক ওই গার্মেন্টসকর্মী তুলে নিয়ে একটি বাড়িতে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছেন। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। 

সোমবার রাতে সিএনজি যোগে ধর্ষকরা তুলে নিয়ে সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউপির ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের একটি বাড়িতে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

এই ঘটনায় ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে মঙ্গলবার সকালে সাতজনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। পরে তালতলা ফাঁড়ি পুলিশের অভিযানে পাঁচ ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউপির ব্রাহ্মনগাঁও গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে আবু সাইদ, রেহাজউদ্দিনের ছেলে ইমরান, নবী হোসেনের ছেলে রণি মিয়া, মো. আবু ছিদ্দিকের ছেলে আবুল হোসেন, আমির হোসেনের ছেলে আরিফ, সামছুল হকের ছেলে জাহাঙ্গীরও  বাগবাড়িয়া গ্রামের ভুট্টু মিয়ার ছেলে মাসুদ।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, সোনারগাঁ উপজেলার পার্শ্ববর্তী রূপগঞ্জ থানার দড়িকান্দি এলাকার বালিয়াপাড়া গ্রামের জহিরুল ইসলামের স্ত্রী রূপগঞ্জের রবিন টেক্স গার্মেন্টসে ফোল্ডিং ম্যান পদে চাকরি করেন। সোমবার সন্ধ্যায় ডিউটি শেষে বাসায় ফেরার জন্য গার্মেন্টেসের সামনে থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় ওঠেন তিনি। সিএনজিতে আগে থেকেই একজন লোক বসা ছিল। সিএনজিটি গাউছিয়া এলাকায় পৌঁছালে ওই নারী গার্মেন্টসকর্মী সিএনজি থেকে নামতে চান কিন্তু সিএনজিতে বসা জাহাঙ্গীর নামের লোকটি তাকে নামতে বাঁধা দেয়।

একপর্যায়ে তার মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে সোনারগাঁ উপজেলার তালতলা এলাকায় নিয়ে আসে। বিভিন্ন জায়গা ঘুরে রাত সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের আ. হালিমের দোচালা টিনের ঘরে নিয়ে যায় তাকে ।

সেখানে আগে থেকেই আরো ৬ জন লোক অবস্থান করছিল। একপর্যায়ে সাতজন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ওই গার্মেন্টসকর্মীকে।

পরে ওই বাড়ির মালিক আ. হালিম বাড়ি ফিরে ঘটনাটি দেখে গার্মেন্টসকর্মীকে ছেড়ে দিতে অনুরোধ করে। কিন্ত ধর্ষকরা জোর করে গার্মেন্টস কর্মীকে সেখান থেকে অন্যত্র নিয়ে যেতে চায়। পরে তিনি আশপাশের লোকজনকে ডাকলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে খবর পেয়ে তালতলা পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত পুলিশ গার্মেন্টসকর্মীকে সেখান থেকে উদ্ধার করে।

সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এরই মধ্যে পুলিশ পাঁচ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারদের তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ