ডা. রাজনের মরদেহে আঘাতের চিহ্ন মেলেনি

ডা. রাজনের মরদেহে আঘাতের চিহ্ন মেলেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:৫৪ ২৫ মার্চ ২০১৯   আপডেট: ১৯:০০ ২৫ মার্চ ২০১৯

ছবি- ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি- ডেইলি বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সহকারী অধ্যাপক ডা. রাজন কর্মকারের মরদেহে আঘাতে কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

সোমবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া এ তথ্য জানান। এছাড়া পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে তার দেহ স্বাভাবিক ছিল।

জানা গেছে, হঠাৎ করেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ডা. রাজনের মৃত্যৃ হয়েছে। এ ঘটনায় ডা. রাজনের স্ত্রী ও শ্বশুর খাদ্যমন্ত্রী শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

এ দিকে মেয়ের স্বামীর অকাল মৃত্যৃতে শোকাহত খাদ্যমন্ত্রী ও তার পরিবার অভিযোগ করেন, ডা. রাজনের মৃত্যু নিয়ে জল ঘোলা করেছে একটি গোষ্ঠী। তারা খাদ্যমন্ত্রী ও তার পরিবারকে বেকায়দায় ফেলতে ডা. রাজনের মৃত্যু নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। তারা ডা. কৃষ্ণা মজুমদারের নামে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ আনছেন।

অন্যদিকে ডা. রাজনের পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্তের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ডা. রাজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ডা. রাজনের পোস্টমর্টেম রিপোর্টের বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন- এ বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্টভাবে মন্তব্য করা যাচ্ছে না। ভিসেরা রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। ভিসেরা পরীক্ষার জন্য মহাখালীর ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আ ন ম সেলিম রেজার বরাত দিয়ে বলেন, ডা. রাজন কর্মকারের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফিসিয়াল সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন ডা. রাজন কর্মকার। তিনি খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের মেয়ে ডা. কৃষ্ণা মজুমদারের স্বামী। ডা. কৃষ্ণা মজুমদারও বিএসএমএমইউ-এর সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। গত ১৬ মার্চ রাত ৩ টার দিকে ডা. রাজন কর্মকার হঠাৎ করেই হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

এ বিষয়ে স্কয়ার হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আসাদুজ্জামান জানান, রাত পৌনে ৪ টার দিকে পরিবারের সদস্যরা ডা. রাজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর লাইফের কোনো সাইন পাওয়া যায়নি। তার শরীরে কোনো জখম ছিল না। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা গেছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসবি/আরএইচ