Alexa টাকা দিয়ে বিষ কিনে খাচ্ছেন না তো?

টাকা দিয়ে বিষ কিনে খাচ্ছেন না তো?

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:২৯ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৪:৪৫ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আমরা বাজারে গিয়ে সব থেকে ভাল পণ্যটাই কিনার চেষ্টা করি। সেই পণ্যের যত দমই হোক না কেনো! কিন্তু আমরা কী কখনো একবারও চিন্তা করে দেখেছি নিজের কষ্ট করে উপার্জন করা টাকা দিয়ে আমরা আসলে কী কিনছি?

রোগে ভোগের পিছনে আমরা কী ধরনের খাবার খাচ্ছি সেটাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা পত্র অনুসারে এমন কিছু খাবারের নাম উঠে এসেছে সেগুলো বিষের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। কেননা এসব খাবার শরীরে বিষের মতো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং ক্যান্সার সেল জন্ম নেয়ার আশঙ্কা অনেকাংশেই বাড়িয়ে দেয়। 

এর মধ্যে রয়েছে চাষ করা মাছের নামও। অথচ মাছে-ভাতে বাঙ্গালি এখন যে মাছ খায় তার প্রায় অর্ধেকেরও বেশি কৃত্রিমভাবে চাষ করা।

আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৮টি খাবারের কথা যেগুলো ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়:

১. প্রক্রিয়াজাত মাংস
আমেরিকার ‘ইউনিভার্সিটি অফ হাওয়াই’য়ের তত্ত্বাবধানে হওয়া এক গবেষণা অনুযায়ী, প্রক্রিয়াজাত মাংস অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ৬৭ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। আসলে এমন ধরনের খাবারে এমন কিছু রাসায়নিক পদার্থ থাকে যেগুলি ‘কারসিনোজেন'। অর্থাৎ এক প্রকার বিষ, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

২. চাষ করা মাছ
বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা মাছ অত্যন্ত অবৈজ্ঞানিকভাবে বড় করা হয়। সেই সঙ্গে চাষের সময় মাছের নানাবিধ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও পরজীবিদের আক্রমণ থেকে বাঁচতে নানা ধরনের জীবণুরোধকারী ওষুধ, কীটনাশক ও অন্যান্য ‘কারসিনোজেনিক' রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়। ফলে এই ধরনের মাছ খেলে শরীরে ওইসব কার্সিনোজেনিক উপাদানের মাত্রাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। 

৩. লবন বেশি রয়েছে এমন খাবার এবং স্মোক ফুড
এই ধরনের খাবারে প্রচুর মাত্রায় প্রিজারভেটিভ, যেমন, ‘নাইট্রেইট' থাকে। দীর্ঘদিন এসব খাবার খেলে শরীরে প্রিজারভেটিভের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে একসময় গিয়ে এই বিষাক্ত উপাদানগুলো কোষের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং ক্রমেই ক্যান্সার রোগের প্রথকে প্রশস্থ করে। 

৪. ক্যানড ফুড
টিনজাত খাবারকে দীর্ঘদিন তাজা রাখতে এমন কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের পক্ষে একেবারেই ভাল নয়।

৫. আলুর চিপস
‌হাইড্রোজেনেইটেড ভেজিটেবল অয়েল এ ভাজা এই সব চিপসে প্রচুর মাত্রায় লবণ থাকে, যা ওজন বৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করে। সেই সঙ্গে আরও সব মরণ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। 

৬. মাইক্রোওয়েভ তৈরি পপকর্ন
খাবারটি বানানোর পদ্ধতি, সব কিছুই এতো অবৈজ্ঞানিক যে এমন খাবার খেলে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। 

৭. পরিশোধিত সাদা আটা
আটাকে যখন পরিশোধিত করা হয় তখন প্রায় তার সব পুষ্টিগুণই নষ্ট হয়ে যায়। পরে একে ক্লোরিন গ্যাসের সাহায্যে ব্লিচ করা হয়, যাতে ক্রেতার চোখে আকর্ষণীয় লাগে। 

৮. সোডা বা কোল্ড ড্রিঙ্ক
গত দশক ধরে একাদিক গবেষণা হয়েছে এর উপর। সবকটিতেই দেখা গেছে এমন পানীয়তে হাই ফ্রকটোস কর্ন সিরাপ, নানাবিধ কেমিক্যাল এবং ডাই থাকে, যা শরীররে অন্দরে মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি করে। তাই একথা বলা যেতে পারেই যে, এমন ঠান্ডা পানীয় খাওয়া প্রায় বিষ খাওয়ারই সমান।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএএস

Best Electronics
Best Electronics