Alexa টাকা আত্মসাৎ করতে অটোরিকশায় ব্যবসায়ী আলমগীরকে হত্যা

টাকা আত্মসাৎ করতে অটোরিকশায় ব্যবসায়ী আলমগীরকে হত্যা

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:০৮ ২৩ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ১৮:১৫ ২৩ আগস্ট ২০১৯

ডেইলি বাংলাদেশ

ডেইলি বাংলাদেশ

টাকা আত্মসাৎ করতে চলন্ত অটোরিকশায় ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। এ নিয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেফতার মেহেদী হাসান রুবেল।

শুক্রবার দুপুরে জেলা ডিসি পুলিশের ওসি মোকতার হোসেন বলেন, ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন হত্যা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল কাদেরের আদালতে তোলা হয়। পরে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী মেহেদী হাসান রুবেল ও অটোরিকশা চালক সাগর কিভাবে ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে সে বিষয়ে আদালতে বর্ণনা দেয়।

এর আগে সদর উপজেলার পশ্চিম বটতলী এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মেহেদী হাসান রুবেল ও দক্ষিণ মান্দারীর জামাল উদ্দিনের ছেলে অটোরিকশা চালক সাগরকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অটোরিকশা ও আত্মসাতের আড়াই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

ওসি মো. মোকতার হোসেন আরো বলেন, সদর উপজেলার মান্দারী বাজারের সুপারি ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান রুবেল ও রায়পুর শহরের ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছিল। এর মধ্যে মেহেদী হাসান রুবেলের কাছে ছয় লাখ টাকা পান আলমগীর। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি এই টাকার জন্য মান্দারী বাজারে রুবেলের কাছে আসেন। এ সময় তাকে তিন লাখ টাকা দেয় রুবেল। আরো তিন লাখ টাকা দেয়ার আশ্বাস দিয়ে একটি অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরাঘুরি করে তারা।

পরে ফয়েজ নামে এক পেশাদার কিলারকে সিএনজিতে উঠিয়ে নেয় রুবেল। আলমগীরকে মাঝখানে বসিয়ে দুপাশে বসে কিলার ফয়েজ ও রুবেল। এ অবস্থায় ওই তিন লাখ টাকা আত্মসাৎ করার জন্য আলমগীর হোসেনের হাত-পা চেপে ধরে রুবেল ও গলাকেটে হত্যা করে ফয়েজ। আলমগীরের মরদেহ কাজির দিঘীর পাড় এলাকায় একটি পুকুরে ফেলে দিয়ে চলে যায় দুজন। এ সময় ওই তিন লাখ টাকার মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পেশাদার কিলার ফয়েজকে দেয়া হয়। বাকি আড়াই লাখ টাকা রুবেল নিয়ে যায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম