Alexa ঝুলছে পাকা-আধা পাকা টক-মিষ্টি বড়ই

ঝুলছে পাকা-আধা পাকা টক-মিষ্টি বড়ই

জাহাঙ্গীর হোসেন, সুনামগঞ্জ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০৭:৪৯ ২৮ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ২২:১৯ ২৮ জানুয়ারি ২০২০

ছবি: ডেইলি ‍বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি ‍বাংলাদেশ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার প্রায় প্রতিটি বাড়ির গাছে গাছে ঝুলছে ফরমালিনমুক্ত দেশীয় টক-মিষ্টি সুস্বাদু বড়ই। অন্যন্য বছরের তুলনায় এবার বড়ইয়ের বাম্পার ফলনে  গাছ মালিকদের হাসি ফুটেছে। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন বাড়ির গাছের ডালে ঝুলছে পাকা-আধা পাকা বড়ই।  এখনো পুরোপুরি না পাকলেও কয়েকদিন পরই পাকতে শুরু করবে। তবুও অনেক ব্যবসায়ী বাজারে বড়ই নিয়ে বসেছেন। দাম বেশ বেশি। 

এদিকে এবার পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বড়ই বাজারে বিক্রি করার আশা করছেন শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, দেশীয় টক-মিষ্টি বড়ইয়ের বাজারে ব্যাপক চাহিদা। বড়ই বাজারে নেয়া মাত্রই নিমিষে শেষ হয়ে যায়। ক্রেতারাও লাইনে দাঁড়িয়ে দেশি বড়ই কিনে নিয়ে যান। 

ব্যবসায়ী আবুল হোসেন জানান, দেশি বড়ই খুবই সুস্বাদু। এ বড়ই সবাই খেতে পছন্দ করে। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা। যে কারণে দেশি বড়ইয়ের কদর বেশি। এ বড়ইয়ে নেই কোনো ফরমালিন।  অনেকে আবার নিজ গাছের বড়ই বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন। বাজারে অনেক ধরনের মিষ্টি বড়ই থাকলেও ক্রেতাদের চাহিদা দেশীয় সেই টক-মিষ্টি বড়ই। তবে উপজেলার বিভিন্ন বাড়িতে বড়ইয়ের বাম্পার ফলন হওয়া সত্ত্বেও বাজারে দেশি বড়ইয়ের দাম খুবই চড়া। 

ক্রেতা সাজিদ মিয়া জানান, জগন্নাথপুর সদর বাজারে চড়া দামে দেশীয় বড়ই কিনে নিচ্ছেন ক্রেতারা।  ফরমালিনমুক্ত হওয়ার কারণে দাম একটু বেশি। তবুও আমাদের কোনো অভিযোগ নেই। বাজারে পাকা সুস্বাদু বড়ই দেখলেই কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন ক্রেতারা। 

এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদার বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও আমাদের পরামর্শে সঠিক পরিচর্যা করায় জগন্নাথপুরে দেশি বড়ইয়ের বাম্পার ফলন হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি কলমের মাধ্যমে উন্নত জাতের দেশি বড়ইয়ের বিস্তার ঘটানো। এতে বাণিজ্যিকভাবে বড়ই চাষে কৃষক ও মালিকরা আগ্রহী হবেন। তারা দেশি বড়ইয়ের চাহিদা মিটিয়ে আর্থিকভাবেও বেশ লাভবান হবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর/এআর