Alexa জেলে শূন্য নদী

জেলে শূন্য নদী

রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১:৩৬ ১১ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১১:৩৬ ১১ জানুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মেঘনার পাড়ে মাছ ঘাটগুলো শূন্য দেখা যায়। অতিরিক্ত শীতের কারণে জেলেরা মাছ শিকারে যায় না। মা ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞার পর জাটকা ধরা নিষিদ্ধ ছিল। রামগতি-কমলনগর আলেকজান্ডার মাছ ঘাট, বালুরচর মাছ ঘাট,জারিরদোনা মাছ ঘাট, চেয়ারম্যান ঘাট, লুধুয়া ঘাট, মাতাব্বর হাট মাছ ঘাট, কাদিরপন্ডিতের হাট মাছ ঘাট, বাত্তিরখাল মাছ ঘাট, মতিরহাট মাছ ঘাট ঘুরে ভিন্ন পেক্ষাপট দেখা যায়। নদীতে জেলে শূন্য ফাঁকা নদী। অন্যদিকে ঘাটেও নেই মাছ এবং ক্রেতা-বিক্রেতা। 

এদিকে রামগতি-কমলনগরে আলেকজান্ডার-মতিরহাট-মাতাব্বর হাট নদী ভাঙন বাঁধে কিছুটা পর্যটকে ব্যস্ত থাকে। শীতের কারণে পর্যটকেরও দেখা মিলে না। জেলে কাউছার বলেন, নদীতে মাছ ধরতে যায় না। কারণ অতিরিক্ত শীত পড়ে। মাছ কিছুটা কম পাওয়া গেলে জেলেরা মাছ ধরতে যেত। কিন্তু অতিরিক্ত শীতের কারণে মোটেও পাওয়া যায় না। জেলেরা যায় না।

আ . মতিন মাঝি বলেন, নদীতে মাছ খুব কম পড়ে। ইলিশের দেখা তেমন মিলে না। অন্যান্য মাছ মিলে। তবে শীতের কারণে জেলেরা মাছ ধরতে যায় না। জীবনযাত্রা কেমন চলে জানতে চাইলে, আয়ুব, কালাম, কালু, মফিজ বলেন, শীতের কারণে নদীতে মাছ ধরতে যায় না। দিনকাল কোন মতে চলে। শীত কমলে মাঝেমধ্যে যায়।  

মতিরহাট মাছ ঘাট সভাপতি মেহেদী হাছান লিটন বলেন, প্রচুর শীতের কারণে জেলেরা মাছ ধরতে যায় না। ঘাটে মাছেরও দেখা মিলে না। শতকরা পাঁচজন জীবনের তাগিদে যায়। তবে তারা খালি হাতে ফিরে। এবারে ব্যবসায় প্রচুর লোকসান হবে।

রামগতি-কমলনগর প্রায় তিনথেকে চারশ’ জেলে নদীতে মাছ শিকার করে। নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন কারণে এরা প্রায় বেকার থাকে। সরকারি সুবিধা সবাই পায় না। কিছু জেলে পেলেও বিড়ম্বনার শিকার হয়। এসব অঞ্চলে জেলে কার্ড করাতে জেলেদের টাকা দিতে হয়। কার্ড হলেও সুবিধা পেতে সময় লাগে। তাই বেশিরভাগই সুবিধা বঞ্চিত হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবদুল কুদ্দুস বলেন, শীতের মৌসুমে নদীতে মাছ কম যাতায়াত করে। জোয়ারভাটা কারণেও মাছ কিনারায় কম আসে। শীতে জোয়ারভাটা কম হয়। পানির নাব্যতা কম থাকে।  তাছাড়া জেলেরা শীতে নদীতে খুব কমই মাছ ধরতে যায়। এসব কারণে মাছবাজার-ঘাটে সামুদ্রিক মাছ কম দেখায়। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম