Alexa জেঁকে বসেছে শীত

পঞ্চগড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

জেঁকে বসেছে শীত

পঞ্চগড় প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৪১ ৮ ডিসেম্বর ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী শহর ঢাকা থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়। হিমালয়ের কোল ঘেঁষা হওয়ায় এ জেলায় ক্রমশ বাড়ছে শীতের তীব্রতা, কমছে তাপমাত্রাও। আর শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে জনজীবন।

কয়েকদিন ধরেই সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

প্রতিদিন সেখানকার তাপমাত্রা কমছে। রোববার সকালে দেশের সর্বনিম্ন ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায়।

শীতের কারণে দুঃস্থ ও খেটে খাওয়া মানুষদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে তেঁতুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষদের খরকুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

সন্ধ্যার পর থেকে রাতের তাপমাত্রা কমে যাচ্ছে। তবে সকালের পর সারাদিন রোদের কারণে বিভিন্ন এলাকায় শীতের প্রকোপ তেমন অনুভূত হচ্ছে না। ঠান্ডার কারণে আধুনিক সদর হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

এদিকে দরিদ্র শীতার্তদের জন্য প্রথম দফায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ উপজেলায় ২১ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।

তেঁতুলিয়ার শালবাহান এলাকার পাথর শ্রমিক সাদেকুল ইসলাম জানান, আমাদের এখানে প্রতি বছর শীতের প্রকোপ বেশি থাকে। এবার তেমন কুয়াশা নেই। তবে সন্ধ্যার পর থেকে তীব্র শীত অনুভূত হয়। সকালের পর থেকে রোদের কারণে শীতে তেমন কষ্ট হয় না।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রহিদুল ইসলাম জানান, সকালে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এই তাপমাত্রা সারাদেশের মধ্যে সর্বনিম্ন। এবার তেমন কুয়াশা দেখা না গেলেও সন্ধ্যার পর থেকে শীতের তীব্রতা বাড়ছে।

ডিসি সাবিনা ইয়াসমিন জানান, অবস্থানগত কারণে পঞ্চগড় জেলাটি শীতপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিতি। প্রতি বছর এখানে শীতের তীব্রতা বেশি থাকে। এবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। প্রায়দিনই দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকছে পঞ্চগড় জুড়ে। তবে এখন পর্যন্ত দিনের বেলায় পর্যাপ্ত রোদ থাকছে। এজন্য শীতের দুর্ভোগ তেমন নেই বললেই চলে। শীত নিয়ে আমাদের যথাযথ প্রস্তুতিও রয়েছে। সরকারিভাবে বরাদ্দ পাওয়া ২১ হাজার শীতবস্ত্র এরমধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় পাঠানো হয়েছে। সেগুলো বিতরণ চলছে। আরো শীতবস্ত্রের জন্য বলা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম