‘জিং’ বেলই থাকছে বিশ্বকাপে!

‘জিং’ বেলই থাকছে বিশ্বকাপে!

স্পোর্টস ডেস্ক   ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৮:৫০ ১২ জুন ২০১৯  

ছবি : আইসিসি

ছবি : আইসিসি

বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসরে সর্বোচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহারের চেষ্টা করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। তবে অনেক সময় খুব ভালো ভালো না। এমনই অবস্থা হয়েছে আইসিসির। প্রযুক্তির ব্যবহারে বেলসগুলো অনেক ভারি! ক্রিকেটে নয়া প্রযুক্তির ‘জিং’ বেল। আর তাই বল স্টাম্পে লাগলেও অনেক সময় তা পড়ছে না। আর এতেই সৃষ্টি হচ্ছে নতুন সমস্যা। কিন্তু এই ব্যাপারে আইসিসি সাফ জানিয়ে দিল, বিশ্বকাপের মাঝপথে কোনওমতেই বেল পরিবর্তন সম্ভব নয়।

বিশ্বকাপে স্টাম্পেও যুক্ত হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন সব প্রযুক্তি। ইলেকট্রিক এই স্টাম্পগুলো তৈরি হচ্ছে আলাদাভাবে। বেলসগুলো যাতে স্বনিয়ন্ত্রিতভাবে জ্বলে ওঠে সেখানেও ব্যবহৃত হয়েছে প্রযুক্তি। তাতে বেশ ভারি হয়ে যাচ্ছে এসব সামগ্রী।

ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের পর থেকেই বিশ্বকাপে ব্যবহার হওয়া ‘জিং’ বেল নিয়ে ক্ষুব্ধ ক্রীড়াপ্রেমীরা। শুধু ক্রীড়াপ্রেমীরাই নন, ক্যাঙ্গারু ‘বধে’র পর বেল নিয়ে সরব হয়েছিলেন খোদ ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিও। বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠছিল আধুনিক প্রযুক্তি সরিয়ে ফিরিয়ে আনা হোক হেরিটেজ উডেন বেল।

রোববার ইংল্যান্ড-বাংলাদেশের ম্যাচেই দেখা যায় এমন বিপত্তি। বেন স্টোকসের বল সাইফউদ্দিনের স্টাম্পে আঘাত করেছিলো ঠিকই। সৌভাগ্যক্রমে বেলস পড়েনি তাতে। শুধু সাইফের বেলাতেই নয় তার আগেও টুর্নামেন্টের শুরুতে এমন ঘটেছে কয়েকবার (মোট ৫ বার)। সবশেষ ঘটলো ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচেও। বুমরাহর বল ডেভিড ওয়ার্নারের স্টাম্পে আঘাত করলেও বেলস পড়েনি তাতে! এমন বার বার ঘটায় চিন্তার ভাঁজ দুই দলের অধিনায়কদের মাঝে।

বেল পরিবর্তনের দাবিতে সুর চড়ানোর তালিকায় আরও দুই নাম মাইকেল ভন ও নাসের হুসেন। জেন্টলম্যান’স গেমের স্বচ্ছতা ও স্পিরিট বজায় রাখতে পুরনো কাঠের বেল ফিরিয়ে আনার দাবি জানান দুই প্রাক্তন ইংরেজ অধিনায়ক।

কিন্তু প্রাক্তনদের সেইসব দাবি পত্রপাঠ খারিজ করে তাঁদের মতামত জানিয়ে দিল বিশ্বক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তাঁরা জানায়, ‘টুর্নামেন্টের মাঝপথে আমরা কিছু পরিবর্তনের পক্ষে নই। এতে ইভেন্টের অখন্ডতা নষ্ট হবে। ৪৮টি ম্যাচে ১০ দলের জন্য একই উপকরণ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকে আইসিসি’র যে কোনও টুর্নামেন্টে এই জিং বেলই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।’ তবে এই বেল যে বারবারই বোলারদের হতাশ করে ব্যাটসম্যানদের সহায়ক হয়ে উঠেছে, সেই ঘটনা মেনে নিয়েছে বিশ্বক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস