Alexa চার বছর শুধু ফল খেয়েই রোগমুক্ত হলেন দম্পতি

চার বছর শুধু ফল খেয়েই রোগমুক্ত হলেন দম্পতি

জান্নাতুল মাওয়া সুইটি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:৪৬ ২৭ আগস্ট ২০১৯   আপডেট: ১২:৪৮ ২৭ আগস্ট ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্য সচেতনরা ওজন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ডায়েট করেই থাকেন। আর এটাই স্বাভাবিক! ওজন কমাতে ফল ও শাক-সবজির চেয়ে উত্তম খাবারের বিকল্প নেই। তাই বলে চার বছর ধরে শুধু ফল খেয়ে বেঁচে থাকা সম্ভব!

এক দম্পতি সুস্থ থাকতে ফলের ডায়েট বেছে নিয়েছেন। তাদের মতে, এই ডায়েটের ফলে তারা বেশ কয়েকটি মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। ইউরোপের আলি রেজা খোরাসানী (২৮) এবং এশিয়ার ড্যানিয়েলা সাইরা (২২) দু’জনেই ফল খেয়ে চার বছর ধরে বেঁচে রয়েছেন তাও আবার সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায়। 

আলি রেজা খোরাসানীজানা গেছে, আলি কোষ্ঠকাঠিন্য, হৃদরোগ, ওজন বৃদ্ধি, ব্রণ, ডার্ক সার্কেল, ডিহাইড্রেশন এবং অবসাদে ভুগতেন। অন্যদিকে, ড্যানিয়েলার খাবারে অনিচ্ছা, উদ্বেগ এবং হজমের সমস্যা ছিল। ২০১৭ সালে ইনস্টfগ্রামে পরিচয় হয় এই দম্পতির। এরপরই তারা পুরোপুরি ফল খেয়ে জীবনযাপন করবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন। কারণ আলি এবং ড্যানিয়েলা দু’জনেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

আলি এবং ড্যানিয়েলা এর দুই সপ্তাহ পর থেকেই ফলাফল পেতে শুরু করেন। তাদের বিশ্বাস, ফলই সর্বোত্তম মানব খাদ্য। ফল-ভিত্তিক ডায়েট হলো একটি উচ্চ শর্করাযুক্ত খাদ্য। যা তুলনামূলকভাবে অল্প কয়েকটি শাক-সবজি, বাদাম এবং ফলে পাওয়া যায়। তারা দু’জনেই চার বছর ধরে একমাত্র ফলের ডায়েট মেনে চলছেন। তাদের বিশ্বাস, একটি সাধারন নিরামিষ জাতীয় ডায়েটের চেয়ে এটি সেরা। 

ড্যানিয়েলা সাইরাআলী পূর্বে একজন বডি বিল্ডার ছিলেন। তার মতে, পূর্বের চেয়ে সে বর্তমানে বেশি স্বাস্থ্যবান বোধ করেন। আগে তিনি সপ্তাহে প্রক্রিয়াজাত খাবার, মাংস, দুগ্ধ এবং ডিম নিয়মিত খেতেন। তার ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা ছিলো। আলি বলেন, অত্যাধিক ঘাম হতো, কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস্ট্রিক, ওজন বৃদ্ধি, ডিহাইড্রেটেড, তন্দ্রাচ্ছন্ন অনুভব করতাম। তবে এখন আমি পুরোপুরি ফিট। শরীরে এনার্জি ভরপুর।

অন্যদিকে, ড্যানিয়েলা বলছেন, আমরা অন্যদেরকে এই পদ্ধতি গ্রহণ করার নির্দেশ কখনো দেইনা। যদিও সুস্থভাবে বেঁচে থাকার সর্বোত্তম স্বাস্থ্যকর উপায় এটি। তবে কেউ যদি আমাদের এই পদ্ধতিতে অনুপ্রাণিত হয়ে এ ডায়েট শূরু করেন, তবে তারা নিজেরাই ফলাফল উপভোগ করবে। বাড়িতে থাকলে অন্যান্যরা যেমন-পাস্তা, আলু, ভাত এবং ভুট্টা ইত্যাদি বেশি খেয়ে থাকেন। আমরা দাগযুক্ত পাকা কলা এবং খেজুরের ওপরই নির্ভর করি। আমরা দু’জনই পূর্বে চেয়ে শারীরিকভাবে বেশ সুস্থতা অনুভব করি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস