ঘুড়ি বানিয়ে মন কেড়েছেন মান্নান

ঘুড়ি বানিয়ে মন কেড়েছেন মান্নান

শরীফুল ইসলাম, চাঁদপুর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:১৭ ১১ জুলাই ২০২০  

মান্নান গাজী

মান্নান গাজী

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঘুড়ি ওড়ানোর দিনগুলো বিলুপ্তির পথে ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে সেই দিনগুলো ফিরে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে ঘরবন্দী সব বয়সী মানুষ এখন ঘুড়ি ওড়ানোর প্রেমে পড়েছে। আর এতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঘুড়ি বানানোর কারিগর মান্নান গাজী। করোনা পরিস্থিতিতে ঘুড়ি বানিয়ে সবার মন কেড়েছেন তিনি।

মান্নান চাঁদপুর শহরের নাজিরপাড়ার বাসিন্দা। পেশায় রঙ মিস্ত্রি হলেও এখন তার বানানো ঘুড়ি কিনতে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মানুষ ভিড় জমায়।

অন্য বছর থেকে এ বছরের সময়টা ভিন্নভাবে ধরা দিয়েছে। ঘুড়ি উড়িয়েই মহামারি করোনা ভুলে থাকতে চায় এখানকার মানুষ। ছোট-বড় অনেকেই বিকেলটা বাড়ির ছাদে কাটান। বিভিন্ন স্থানে নাটাই, সুতা আর ঘুড়ি বিক্রি কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।

চাঁদপুর শহরের স্টেডিয়াম-বিষ্ণুদী মাদরাসা রোডের যুবকরা জানান, করোনার এ সময়ে অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে দেন না স্বজনরা। এজন্য বাড়ির ছাদেই ঘুড়ি উড়িয়ে সময় পার করছেন তারা।

যুবকরা আরো জানান, এ শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুড়ি বিক্রি করা হয়। কিন্তু তারা মান্নানের ঘুড়ি কেনেন। তবে কেনার আগে মান্নানকে বলে রাখতে হয়। এছাড়া দামও কম। তাই তার ঘুড়ি জনপ্রিয়।

এ বিষয়ে ঘুড়ি বানানোর কারিগর মান্নান গাজী বলেন, উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়ে ও শিশুদের কাছে আমার ঘুড়ির চাহিদা বেশ ভালো। এজন্য প্রতিদিন শতাধিক ঘুড়ি বিক্রি হয়। সময় কম থাকায় তেমন ঘুড়ি বানাতে পারি না। প্রচুর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বিক্রি করতে পারছি না।

তিনি বলেন, প্রতিদিন শত শত যুবক ঘুড়ির জন্য আসে। ঘুড়ি তৈরিতে খরচ বাড়লেও দাম বাড়াইনি। ১০ টাকা করে প্রতিটি ঘুড়ি বিক্রি করা হয়। আর ব্যবসায়ীদের কাছে আট টাকা করে বিক্রি করি। তবে সবাই ভালোবেসে আমার কাছে ঘুড়ি কিনতে আসে এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর