Alexa ‘গোলাপি বল আম্পায়ারদের জন্যও এক পরীক্ষা’

‘গোলাপি বল আম্পায়ারদের জন্যও এক পরীক্ষা’

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:৫৮ ২০ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১২:৫৮ ২০ নভেম্বর ২০১৯

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

আরো এক ইতিহাসের সাক্ষি হতে যাচ্ছে কলকাতা ইডেন গার্ডেন। প্রথমবারের মত ভারতের মাটিতে এই ইডেনেই গড়াবে গোলাপি বলের দিবারাত্রির টেস্ট।  ঐতিহাসিক ইডেন টেস্ট ঘিরে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনের শেষ নেই। লাল বলের তুলনায় গোলাপি বলের গঠনতন্ত্র ভিন্ন হওয়ায় এই বলের গতি খুব বেশি হওয়ায় ব্যাটসম্যানরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেনা।  এমনকি রাতে গোলাপি বল দেখতে সমস্যায় পড়তে পারেন আম্পায়াররাও। এটা তাদের জন্য ও এক পরীক্ষা। এমনটাই দাবি করছেন প্রাক্তন অস্ট্রেলীয় আম্পায়ার সাইমন টফেল।

সাইমন টফেল গোলাপি বলে অ্যাডিলেডে হওয়া প্রথম টেস্টে আধিকারিক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার তিনি জানিয়েছেন, গোলাপি বল ভাল করে দেখতে আম্পায়াররা প্রয়োজনে কৃত্রিম লেন্সের সাহায্য নিতে পারেন। টফেল বলেন, ইডেন টেস্টে গোলাপি বল দেখতে ম্যাচ আম্পায়াররা আলাদা কোনো লেন্স ব্যবহার করবে কী না সেটা আমার জানা নেই! সেটা পুরোপুরি ওদের ব্যাপার। ওদের উচিত নেটে ক্রিকেটারদের অনুশীলনের সময়ও যত বেশি সম্ভব হাজির থাকা।’
বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা এই আম্পায়ার আরও বলেছেন, ‘নেটে অনেকটা সময় কাটালে আম্পায়াররা গোলাপি বল দেখার ব্যাপারে অভ্যস্ত হবে। ক্রিকেটে ঠিক সময়ে ঠিক জিনিস দেখা একটা বড় ব্যাপার। নেটে সময় দিলে ওদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে।’

‘গোধূলিতে আলোয় পরবর্তন হয়। উজ্জ্বল সূর্যের আলো থেকে নৈশালোকে খেলা শুরু হয়। এই সময় গোলাপি বলে খেলা ব্যাটসম্যানদের পরীক্ষা। আম্পায়ারদের ক্ষেত্রেও এই একই কথা খাটে। ব্যাট করার মতোই তখন কঠিন হয় ম্যাচ পরিচালনা করা।’ টফেল আরো যোগ করেন।

টফেল ভারতে এসেছেন নিজের বইয়ের প্রচারে। ইডেনে গোলাপি বলে টেস্ট চলার সময় তাঁর হাজির থাকার কথা। টফেল মনে করেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের কাজ বেশি কঠিন কারণ কখনও তাঁরা গোলাপি বলে খেলেননি। তাই তাঁদের তিনি অতিরিক্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। 

বেশ কয়েক জন ভারতীয় ক্রিকেটার অতীতে গোলাপি বলে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছেন। সেখানে ২০১৩-তে বাংলাদেশ এক বারই গোলাপি বলে চার দিনের একটা ম্যাচ খেলেছিল। কিন্তু সেই দলের কেউ এ বার খেলছেন না।

টফেল বলেছেন, ‘শিশির থাকলে ফিল্ডিং করতে সমস্যা হবে। তখন বল শুকনো রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। দেখার বিষয় বলের রং কতক্ষণ ঠিক থাকে। পুরনো বল নিয়ে কতটা সময় খেলা যাবে সেটা বোঝাও আম্পায়ারদের কাছে ঝামেলার। সাদা বলই ৫০ ওভার খেলা যায় না। সেখানে টেস্টে তো গোলাপি বলে ৮০ ওভার খেলা হবে!’  

‘জানি না বাংলাদেশ গোলাপি বলে কখনও প্রথম শ্রেনীর ম্যাচ খেলেছে কি না। তবে বাংলাদেশের কাজটা নিঃসন্দেহে বেশি কঠিন।’

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস