গোপালগঞ্জে ৪০টি গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দী চার হাজার পরিবার

গোপালগঞ্জে ৪০টি গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দী চার হাজার পরিবার

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:২৯ ৯ আগস্ট ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জে মধুমতি, কুমার, ঘাঘর, শৈলদহ, বাঘিয়ারকুল নদীর পানি বেড়ে গেছে। এতে গোপালগঞ্জ সদর, মুকুসুদপুর, কাশিয়ানী, টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলার বিলবেষ্টিত নিম্নাঞ্চলের ৪০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধিতে জেলার অন্তত ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। 

পানি বেড়ে ৩ হাজার ৭৮০টি মাছের ঘের ভেসে প্রায় ৮ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমনের বীজতলা ও ক্ষেতের আউশ ধান তলিয়ে গেছে। নষ্ট হয়েছে সবজি ক্ষেত। বানভাসী এক হাজার পরিবার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, ইউপি পরিষদ ও উঁচু সড়কে আশ্রয় নিয়েছে। তারা অবর্ননীয় দুঃখ কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

সেই সঙ্গে মধুমতি নদী ও মধুমতি বিলরুট চ্যানেলের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মানিকদহ, উরফি, ইছাখালি ও ধলইতলায় নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। 

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ বৈদ্য জানান, মধুমতি বিলরুট চ্যানেলের পানি বিপদসীমা দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মধুমতি নদীর পানি বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। ভাঙন কবলিত এলাকায় বালুর বস্তা ফেলার কাজ শুরু করা হবে।

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণের ডিডি ড. অরবিন্দু কুমার রায় বলেন, আমন ধানের বীজতলা ও ক্ষেতের আউশ ধান তলিয়ে গেছে। নষ্ট হয়েছে সবজি ক্ষেত। এখনো কৃষি বিভাগের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। 

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ বৈরাগী বলেন, জেলার ৫ উপজেলার ৩৭৮০টি মাছের ঘের ভেসে গিয়ে  ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এ ব্যাপারে ডিসি শাহিদা সুলতানা জানান, দুর্গত এলাকায় চাল, ডাল, আলু, লবন, তেল, শুকনা খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।  

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম