গেম অব থ্রোনস: টিভি-র ইতিহাসে এতটা নির্মম হিংসার গল্প আর নেই 
Best Electronics

গেম অব থ্রোনস: টিভি-র ইতিহাসে এতটা নির্মম হিংসার গল্প আর নেই 

বিনোদন ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১২:২০ ১৫ মে ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় গেম অফ থ্রোনসের শেষ সিজন প্রায় শেষের দিকে। সোমবার ভোর সাড়ে ৬টায় হয়ে গেল শেষ সিজনের সেকেন্ড লাস্ট এপিসোড। এইচবিওর রের্কড ব্রেকিং সিরিজের আখ্যা পায় শেষ সিজনটি। 

পছন্দ, অপছন্দ, বিশ্বস্ততা, সমালোচনার মধ্যেও ‘গেম অফ থ্রোনস’ নিয়ে আলোচনায় বরবরাই উঠে আসে রাজনীতির প্রসঙ্গ। তবে শুধু রাজনীতি নয়, জর্জ আর মার্টিনের লেখা এই উপন্যাসে রয়েছে ব্যবসার পরামর্শও।

তবে এই সিজনে এটা বলা ভুল হবে না যে এখনো পর্যন্ত টিভির সবচেয়ে নির্মম এবং ডিস্টারবিং এপিসোডের মধ্যে একটি। এই এপিসোডের শুরুতেই ছিল এমন একটি টুইস্ট যা আমাদের এখনো পর্যন্তের সব ধারনা বদলে দেবে। নির্মাতারা আবার আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে কোনো চরিত্রের মধ্যে ভরসা করার কোনো মানে হয় না।

এই এপিসোডে আমরা দেখতে পাই ড্যানেরিস টার্গারিয়ান-সার্সি ল্যানিস্টারের লড়াই। গেম অফ থ্রোনসের শেষ যুদ্ধ শুরু হয় কিং’স ল্যাডিইং-এ। জন স্নো তার সেনাকে নিয়ে পৌঁছেছে সার্সি আর ইউরন গ্রেজয়র বিরুদ্ধে লড়তে। কিন্তু সার্সি সঙ্গে রয়েছে আইরন ব্যাঙ্কের সাপোর্ট, সার্সি আগে থেকেই ২০,০০০ সৈনিক কিনে ফেলেছে। আমরা এটাও জানি যে সার্সির কাছে রয়েছে ড্রাগন মারার অস্ত্রও। সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে যে ড্যানেরিস হারতে চলেছে।

কিন্তু এই এপিসোডে এমনভাবে তৈরি যে পরের মুহূর্তে কি হবে কেউ বলতে পারে না। ড্যানেরিস শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে রিগাল আর মিসান্ডে মরে যাওয়ায়। ড্যানি নিজের মনকে মানিয়ে নিয়েছে সবাইকে পুড়িয়ে মারবে। আপনাদের মনে করানোর দরকার পরবে না মেসান্ডি লাস্ট এপিসোডে ড্যানিকে কি বলে গেছিল ? আর সেই কথাটা ড্রাগনের মা খুব গুরুত্ব দিয়ে নিয়েছিল। সে এইবার জেগে উঠেছিল।

গেম অফ থ্রোনসে এর আগেও আমরা দেখেছি ভয়ানক, নৃশংস যুদ্ধ দৃশ্য। কিন্তু এই এপিসোড ছিল একজনের হিংস প্রকৃতি আর তার প্রতিক্রিয়া উপরে।

কিন্তু, এই আসন্ন ধ্বংসযজ্ঞ যেভাবে তৈরি হয় তা অসামান্য। ঝড়ও হাওয়া বইছে। আপনি আকাশের দিকে চেয়ে আছেন কিন্তু কিছু দেখতে পারছেন না। ধুলোর ঝড়। মানুষের চিৎকার এবং আশ্রয়ের জন্য দৌড়ে বেড়াচ্ছে মানুষ। আর তাদের মধ্যে হাউন্ড তার ‘অসম্পূর্ণ ব্যবসা’ সম্পন্ন করার উপর মনোযোগ দিয়ে এগিয়ে চলেছে।

আপনি যদি একটুর জন্য সব ঘুলিয়ে ফেলেন, এই ৮০ মিনিট লম্বা এপিসোডে রয়েছে অনেক ছোট ছোট মুহূর্ত যেগুলো খুব ভালোভাবে তৈরি করা হয়েছে আর যা খুব সহজেই আপনার মনকে ধরে রাকবে এই দিকে।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএএস

Best Electronics