গাছে হলদে মুকুলের শোভা

গাছে হলদে মুকুলের শোভা

দেলোয়ার হোসেন, জামালপুর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:০৩ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

আমের মুকুল (ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ)

আমের মুকুল (ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ)

জামালপুরের বিভিন্ন উপজেলায় আমের মুকুলের সমারোহ ঘটছে। আর এ মুকুল বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে ম-ম গন্ধ। যে গন্ধ মানুষের মনকে বিমোহিত করে। হলুদ বর্ণের মুকুল সোনালী আলোয় যেন অপরূপ রঙ ছড়াচ্ছে।

এ বছর মুকুলের ভারে গাছের ডালপালা নুয়ে পড়ছে। যে পরিমাণ মুকুল আসছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আমের বাম্পার ফলন হবে বলে মনে করছেন অনেকে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সদর উপজেলা, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ, ইসলামপুর, সরিষাবাড়ী, দেওয়ানগঞ্জ, বকশীগঞ্জসহ সব গ্রামগুলোতে মুকুলে ছেয়ে গেছে। মুকুলের সমারোহ দেখে বাড়ির লোকজনের আনন্দ বইছে। অনেকেই এর রক্ষার জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিচ্ছেন। আবার কেউ গাছের যত্নে মনোযোগী হয়ে উঠছেন।

মেলান্দহ উপজেলার হরিপাই গ্রামের বাগান মালিক মুছা মিয়া জানান, বর্তমানে আবওহায়া অনুকূলে রয়েছে। মুকুল আসার পর থেকে গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছি ও কৃষি অফিসের পরামর্শে বালাইনাশক স্প্রে করছি।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, আম গাছে রোগ হলে টিএসপি ও এমপি সার দিতে হবে। দুই-তিন বছর বয়সের গাছে ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম, চার-পাঁচ বছর বয়সের গাছে ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রাম, ছয়-সাত বছর বয়সের গাছে ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম, আট-নয় বছর বয়সের গাছে ৫০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ও ১০ বছরের ঊর্ধ্বে ৮৫০ থেকে এক হাজার ২০০ গ্রাম দিতে হবে। মুকুল আসার সময় মেঘলা ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া থাকলে পুষ্পমঞ্জরিতে পাউডারি মিলডিউ ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগের আক্রমণ হতে পারে। তাই রিপকর্ড ও কেবিএস জয় ব্যবহার করতে হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, খামারবাড়ির উপ-পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, মুকুলের যথাযথ পরিচর্যা না করলে ঝরে পড়ে আমের ফলনে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমগাছে মুকুল আসার ১৫ দিন আগে পর্যাপ্ত স্প্রে দিতে হবে। মুকুল ফোটার সময় মেঘলা ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া থাকলে বিভিন্ন রোগের আক্রমণ হতে পারে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর