Alexa গাংনীতে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সাময়িক বন্ধ ঘোষণা

গাংনীতে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সাময়িক বন্ধ ঘোষণা

মেহেরপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:০১ ২৫ জানুয়ারি ২০২০  

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

মেহেরপুরের গাংনী’র বাঁশবাড়িয়া গ্রামের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

প্রধান শিক্ষক লিখিত অভিযোগ করায় ইউএনও বিদ্যালয়টি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্তভার দিয়েছেন।

বাঁশবাড়িয়া গ্রামের কলিমউদ্দিনের ছেলে আব্দুল মালেক প্রতিষ্ঠানের জমিদাতা। সাত বছর আগে গ্রামের সমাজসেবক নূর আহমেদ বকুল ও পার্শ্ববর্তী শিশিরপাড়া গ্রামের নাসিরউদ্দিনের পরামর্শে প্রতিষ্ঠানটির জন্য সাত বিঘা জমি দান করেন তিনি। স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই জমিতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। 

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হন শেখ আনিসুজ্জামান লুইস।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহার বলেন, সভাপতি মনোনীত হওয়ার পর থেকে শেখ আনিসুজ্জামান লুইস প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয়সহ অর্থনৈতিক সব ক্ষমতা তার হাত থেকে কেড়ে নেন। আয়-ব্যয়ে হিসাব-নিকাশ ও ভাউচার রাখার প্রয়োজন মনে করেন না তিনি। তার বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগও উঠেছে। সম্পূর্ণ বে-সরকারি প্রতিষ্ঠান জেনেও সভাপতি লুইস এরইমধ্যে ২১ জন শিক্ষক/কর্মচারী নিয়োগ ও সরকারি বেতন পাইয়ে দেয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তারপরও নিয়োগের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়ায় প্রতিদিন নিজেকে শিক্ষক/কর্মচারী দাবি করে প্রতিষ্ঠানে জড়ো হচ্ছেন নারী-পুরুষ। 

তিনি আরো বলেন, সভাপতি প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র প্রতিষ্ঠানে না রেখে বাড়ি নিয়ে রাখেন। যা বিদ্যালয় পরিচালনায় আইনের পরিপন্থী। বিদ্যালয়ের জমি রেজিস্ট্রি করে নিতে সভাপতি লুইস দাতাকে চাপ দিচ্ছেন।

এ ঘটনায় সভাপতি শেখ আনিসুজ্জামান লুইসকে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

গাংনী’র ইউএনও দিলারা রহমান বলেন, প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহারের অভিযোগ পেয়েছি। শনিবার থেকে বিদ্যালয়টি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছি। এছাড়া সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মীর হাবিবুল বাশারকে নির্দেশ দিয়েছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ