Alexa গলায় আটকে গেলো বিচি, চিকিৎসকদের সহায়তায় বাঁচলো কিশোরী

গলায় আটকে গেলো বিচি, চিকিৎসকদের সহায়তায় বাঁচলো কিশোরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০৭:৪৩ ১৯ জানুয়ারি ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বন্ধুদের সঙ্গে খেলার সময় বরই খেয়েছিলো পিঙ্কি হাঁসদা নামের এক কিশোরী। তবে অবচেতন মনে সেই বরইয়ের বিচি গিলে ফেলে সে। এতেই  বুক ও পেটের ব্যথা নিয়ে মৃত্যুর দরজায় চলে যায় সে। অবশেষে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে শেষ রক্ষা হয় তার।

গত ১১ জানুয়ারি ভারতের পুরুলিয়ায় এমন ঘটনা ঘটে। এর সাতদিন পর শনিবার কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কান, নাক ও গল বিভাগের চিকিৎসকরা পিঙ্কির গলায় থাকা বিচি বের করেন। -খবর ভারতের কলকাতা ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইটিভির।

সংবাদমাধ্যমটি জানায়, যখন পিঙ্কির বুকে ও পেটে ব্যথা শুরু হয়, তখন ঘটনাটি মা-বাবাকে জানায় সে। তারা বিষয়টি শুনে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানের চিকিৎসকরা এক্স-রের মাধ্যমে দেখেন, পিঙ্কির ডানদিকের ফুসফুস কাজ না করে সাদা হয়ে গেছে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে দুইদিন চিকিৎসা দেয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সিটি স্ক্যান করানো হয়।

এতে পিঙ্কির ডানদিকের শ্বাসনালীতে কিছু একটা আটকে থাকতে দেখা যায়, যার কারণে শ্বাস-প্রশ্বাস আসা-যাওয়া করতে পারছে না। ফলে পিঙ্কির ফুসফুস অকেজো হয়ে পড়ে। এরপরই তাকে আইসিউতে রাখা হয়। পরে তাকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে সিটি স্ক্যান করলে বরইয়ের বিচি আটকে থাকার বিষয়টি পরিষ্কার হয়। প্রথমে ওষুধের মাধ্যমে পিঙ্কির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করেন চিকিৎসকরা । তবে অবস্থার অবনতি হলে জরুরি ভিত্তিতে ব্রংকোস্কপি করে আটকে থাকা বিচি বের করা হয়। এতে সময় লাগে ৪০ মিনিট।

ব্রংকোস্কপি জন্য একটি দল গঠন করা হয়েছিল। সেই দলে ছিলেন চিকিৎসক সৌমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, দীপ্তাংশু মুখোপাধ্যায়, তুষার চক্রবর্তী, শুক্লা কর্মকার ও প্রীতি রুবিনাথ।
 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ