Alexa খুলনায় হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন

খুলনায় হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন

খুলনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:০৮ ১৪ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ১৩:১৭ ১৫ নভেম্বর ২০১৯

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

খুলনা মহানগরীর সেতু ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার ইউনুস হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ১০হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া একই মামলায় আরো তিনজনকে দুই মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক রোজিনা আক্তার এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-খুলনা মহানগরীর মৌলভী পাড়া টিবি বাউন্ডারি রোডের চেয়ারম্যানের বাড়ির ভাড়াটিয়া আব্দুল কালাম শেখের ছেলে মো. সোহেল শেখ, ফুলবাড়ি গেট দারোগার বাজার এলাকার শেখ শাহরিয়ার হোসেনের ছেলে মো. সাব্বির হোসেন ওরফে তপু ও একই এলাকার শেখ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে রুবায়েত হোসেন ওরফে রুবেল। রায়ের সময় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি কাঠগড়ায় ছিলেন।   

এছাড়া একই মামলায় আরো তিন আসামিকে দুই মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত।

আসামিরা হলেন- নগরীর দৌলতপুর মহেশ্বরপাশা এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে রানা কবির, খানহাজান আলি থানার যোগীপোলের মোশারাফ হোসেনের ছেলে হাফিজুর রহমান ও দৌলতপুর কালিবাড়ি সাহেব পাড়া কেদার নাথ ক্রস রোডের পরশ চন্দ্র শীলের ছেলে পংকজ চন্দ্র শীল। রায় ঘোষণার সময় হাফিজুর রহমান ও পংকজ চন্দ্র শীল আদালতে উপস্থিত থাকলেও রানা কবির পলাতক রয়েছেন। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি অ্যাডভোকেট সাব্বির আহমেদ। তিনি জানান, ২০১১ সালের ১৩ জুন রাতে নগরীর সাউথ সেন্ট্রাল রোডের সেতু ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার ইউনুসকে হত্যা করে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা লুট করে আসামিরা। আসামি সোহেল ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চাকরি করত। সে সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইউনুসের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব ছিল। এ কারণে তাকে চাকরি থেকে বাদ দেয় মালিক। এ প্রতিশোধ নিতেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটনায় আসামিরা।

এ ঘটনায় মহানগরীর গগন বাবু রোডের নিহত ইউনুসের বাবা মো. আমজাদ হোসেন মোড়ল বাদী হয়ে সেতু ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক মো. মনিরুজ্জামানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে খুলনা থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কাজী মোস্তাক আহমেদ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ