খাল কেটে সুফল এনেছে বিএডিসি

খাল কেটে সুফল এনেছে বিএডিসি

রংপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:২৫ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৫:২৬ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

চৈত্রকল বিলে কাটা খাল

চৈত্রকল বিলে কাটা খাল

‘খাল কেটে কুমির আনা’- একটি প্রচলিত প্রবাদ। এর অর্থ ভালো কিছু করতে গিয়ে খারাপ হওয়া। তবে খাল কেটে কুমির আনেনি বিএডিসি। কৃষকদের জন্য বয়ে এনেছে সুফল।

রংপুরের আট উপজেলায় কৃষকদের সেচ সুবিধা দিতে খাল খনন অব্যাহত রেখেছে বিএডিসি। এতে সময়মতো জমিতে সেচ দিতে পারছে কৃষকরা। বেড়েছে ১০ গুণ বেড়েছে ধানের উৎপাদন। আগে প্রতি বিঘায় ধান হতো ৪-৫ মণ। এখন সেখানে হচ্ছে ৫০-৬০ মণ।

রংপুর বিএডিসির সেচ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পীরগঞ্জ উপজেলার চৈত্রকল বিলে আগে জলাবদ্ধতা ছিল। এ কারণে বোরো ও রোপা আমনের ভালো ফলন হতো না। প্রতি মৌসুমে কৃষকদের লোকসান গুনতে হতো। এখন সে দৃশ্য পাল্টে দিয়েছে বিএডিসি। বিলে খাল কেটে জমিতে সেচ সুবিধা বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে সুফল ভোগ করছেন চার হাজার কৃষক।

কৃষক ওসমান গনি জানান, বিলে খাল কাটায় ধানের উৎপাদন বেড়েছে। ওই খালে চাষ করা হচ্ছে মাছ। এতে চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি আয়ও হচ্ছে।

চৈত্রকল ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান সবুজ জানান, বিলে খাল কাটায় চৈত্রকলের ১৪টি গ্রামের কৃষকরা সুফল পাচ্ছে। 

উপজেলা বিএডিসি সেচ প্রকল্পের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুমন চন্দ্র বর্মণ জানান, জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ডিসেম্বরে চৈত্রকল বিলের ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ খালের ১০ কিলোমিটার নতুন করে কাটা হয়েছে। এতে বিলের এক হাজার চারশ হেক্টর জমিতে পানি প্রবাহ বেড়েছে।

বিএডিসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী এএইচএম মিজানুল ইসলাম মাহবুব জানান, ধান চাষের জন্য জমি উপযোগী করতে খাল খনন অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর