খালেদার জন্ম তারিখটা ১৫ আগস্ট হলো কবে থেকে, প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রীর

খালেদার জন্ম তারিখটা ১৫ আগস্ট হলো কবে থেকে, প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৩৩ ১৪ আগস্ট ২০২০  

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

১৫ আগস্ট বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন না করে বাহবা নেয়ার চেষ্টাই বড় অপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, কাগজে দেখলাম ১৫ আগস্টে খালেদা জিয়াকে নিয়ে কোনো উদযাপন করা হবে না। বাহ, বেশ সুন্দর কথা। কিন্তু খালেদা জিয়ার ১৫ আগস্টের জন্ম তারিখটা হলো কবে থেকে?

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে জাতীয় প্রেস ক্লাব আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড: ষড়যন্ত্র দেশে বিদেশে’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৫ সালে হঠাৎ বেগম খালেদা জিয়া ১৫ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন। উনি এর আগে অবশ্য আরো তিন-চার বার জন্মগ্রহণ করেছে। উনি এবার জন্মদিন পালন করবেন না, এটা বলে যে বাহবা নেয়ার চেষ্টা করছে এটাই বড় অপরাধ।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট যেদিন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় সেদিন উনি হঠাৎ জন্মগ্রহণ করে ঘোষণা দিলেন, সেটা হত্যাকারীদের সমর্থন করা হলো। এটি হত্যাকাণ্ডকে উপহাস করার শামিল। তাই আমি বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো, আপনারা সহসাই ঘোষণা দেন, বেগম খালেদা জিয়া হঠাৎ করে ১৫ আগস্ট জন্মগ্রহণের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন সেটি এক মিথ্যা বানোয়াট ছিল। এজন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। তাহলে জাতি আপনাদের ক্ষমা করবে। পালন করবো না বলে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের দিনটিকে যে আবার আপনারা উপহাস করছেন, সেটা মনে করিয়ে দিচ্ছেন। সুতরাং এই উপহাস বন্ধ করুন।

হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর পত্রিকায় বড় বড় হেডিং দিয়ে যারা নিবন্ধ লিখেছে, তারাও প্রকারান্তে হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করেছে। অনেকে ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সমস্ত বিষয়গুলোকে আমি মনে করি একটা কমিশন গঠন করে তুলে আনা প্রয়োজন। ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার জন্য এবং ভবিষ্যত প্রজন্মকে সত্য জানানোর জন্য এই বিষয়গুলো উঠে আসা প্রয়োজন।

সেমিনারে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসআই