Alexa ক্যাপ্টেন’স নক– আজ অধিনায়কদের গল্প

ক্যাপ্টেন’স নক– আজ অধিনায়কদের গল্প

প্রকাশিত: ১৪:০৩ ২ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ১৪:০৫ ২ জুলাই ২০১৯

কবি হিসেবেই পরিচিতি অমিত গোস্বামীর। তবে উপন্যাস, প্রবন্ধ ও বিশ্লেষণধর্মী লেখায়ও বেশ সুনাম রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের এই লেখকের। পেশায় সাংবাদিক। জন্ম, বাস, বেড়ে ওঠা সবই ভারতে। তবে বাংলাদেশের প্রতি রয়েছে বিশেষ টান। বাংলাদেশের শহীদ বুদ্ধিজীবী আলতাফ মাহমুদকে নিয়ে উপন্যাস লিখে এরইমধ্যে সাড়া ফেলেছেন।

আজ ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ। ইংল্যান্ডের এজবাসটনে। এই খেলা নিয়ে অনেক শব্দখরচ এর মধ্যেই হয়ে গেছে। কাজেই আমি চর্বিত চর্বনে যাচ্ছি না। বরং ক্রিকেট নিয়ে কিছু গল্প শোনানো যাক যা আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা। 

সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুক্ত হয়ে লেখালিখি’র সঙ্গে থাকব ঠিক করেছি। নামমাত্র মূল্যে কলকাতার এক বাংলা দৈনিকের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি ক্রীড়া বিভাগে। পরে শুনেছি যে মামা কাকা না থাকলে সংবাদ, রাজনীতি, সাহিত্য বা নিবন্ধ বিভাগে প্রথমে দেয়া হয় না। তাতে কী! মতি নন্দীর মতো সাহিত্যিকও তো ক্রীড়া বিভাগে ছিলেন। প্রথমে কপি লেখা অর্থাৎ এজেন্সি খবর অনুবাদ করা, তারপরে মাঠ করা অর্থাৎ কলকাতা ময়দানের ছোটখাটো খেলা কভার করা, বাণী জোগাড় করা অর্থাৎ ক্রীড়াবিদদের সাক্ষাৎকার নেয়া– এসব করছি। এমন সময় কলকাতায় পড়ল জওহরলাল নেহেরু শতবার্ষিকী গোল্ড কাপের ফাইনাল ম্যাচ। ১৯৮৮ সাল। ফাইনাল খেলবে পাকিস্তান বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অধিনায়ক ইমরান খান ও ভিভিয়ান রিচার্ডস। কোনো কারনে আমার মত শিক্ষানবীশ রিপোর্টারকে অন্য আরেকজনের সঙ্গে দায়িত্ব দেয়া হল। আমি খুব উত্তেজিত। আমার দায়িত্ব ম্যাচের আগের দিন পাকিস্তানের অধিনায়কের সাংবাদিক সম্মেলন কভার করা এবং ম্যাচের পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়কের মন্তব্য নেয়া এবং সাক্ষাৎকার দিলে তা নেয়া। যথারীতি গলায় সাংবাদিক পরিচয় ঝুলিয়ে ম্যাচের আগের দিন গেলাম ইডেন উদ্যানে। প্র্যাকটিসের পরে ইমরান নিশ্চয়ই বলবেন। নাহ, শোনা গেল যে তিনি হোটেল তাজ বেঙ্গলে আমাদের সঙ্গে আড্ডা দেবেন সন্ধ্যে বেলায়। তাজ বেঙ্গলের লবিতে উপস্থিত হলাম বাস ঠেঙিয়ে। জায়গা পেলাম সামান্য পেছনে। দেখলাম সিকন্দার বখত’কে। আগের দিন তাজ বেঙ্গলে সদ্য খোলা ডিসকো’তে প্রচুর নেচেছেন। কাগজে ছবি বেরিয়েছে। ইমরান খান আসতেই তার অনুমতি নিয়ে চললেন আবার ডিসকো’তে। ইমরান খান আমাদের নিয়ে বেশ উন্মুক্ত জায়গায় বসলেন। আড্ডার মুডে কথাবার্তা শুরু হলো। একজন অল্প বয়েসী পাক ক্রিকেটার এসে ডিসকো’তে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন। ইমরান তার মুখের দিকে সোজা তাকালেন। তারপর বললেন ‘যেতে চাইলে যাও। কিন্তু কাল মাঠে পাঁচ উইকেট না পেলে তুমি পাকিস্তান দলে আর সুযোগ পাবে না।‘ তারপর একটু থেমে বললেন ‘শোন, সবার জন্যে সব কিছু নয়। তোমার ডিসকো থেক হল বাইশ গজের পিচ।’ কথা না বাড়িয়ে রোগা লম্বা ছেলেটি চলে গেল। নাম জেনে নিলাম– ওয়াসিম আক্রম। ঘটনাটা আমার প্রিভিউয়ে উল্লেখ করেছিলাম। পরের দিন ছেলেটি সত্যি পাঁচ উইকেট নিল। খোঁজ নিয়ে জানলাম যে আগের দিন সে সাড়ে ন’টায় খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল। ফাইনালে শেষ ওভার। ৬ বলে ৬ রান তুলতে হবে। পাকিস্তান তুমুল বিক্রমে ব্যাট চালাচ্ছে। নিয়মিত তিন বোলারের দশ ওভার হয়ে গেছে। কে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেষ ওভার বল করতে। অধিনায়ক ভিভিয়ান রিচার্ডস নিজেই এলেন। চার বলে রান তুলে পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন হল। ম্যাচের পরে ভিভিয়ান রিচার্ডস সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন ইডেনের একটি সম্মেলন কক্ষে। তিনি এলেন। অনেকের অনেক এদিক ওদিক প্রশ্ন। কিন্তু আসল প্রশ্ন কেউ করছে না। অধৈর্য আমি জিজ্ঞাসা করে বসলাম- আপনি শেষ ওভারে নিয়মিত কোনো বোলারকে না এনে নিজেই বল করলেন কেন? এতে তো আপনার দল হেরে গেল। ভিভ সোজাসুজি আমার দিকে তাকালেন। বয়েস অল্প দেখে হয়ত দয়া হল। মোলায়েম গলায় জিজ্ঞাসা করলেন– আপনি কখনো কোনো খেলায় ক্যাপ্টেন্সি করেছেন? করলে বুঝতেন যে শেষ যুদ্ধে ক্যাপ্টেনকেই যেতে হয়। অন্য কাউকে ঠেলে দিতে নেই। এরপরে তিনি বিশ্লেষণ করে বুঝিয়ে দিলেন কেন তিনি বল করতে এসেছিলেন। পরেরদিন সব পত্রিকায় ভিভের উক্তি হেডিং হলো– শেষ যুদ্ধে ক্যাপ্টেনকেই যেতে হয়।

১৯৮৯ এ দিল্লিতে চলছিল এসকর্ট ট্রফির ফাইনাল। ভর দুপুরে কপিলদেব এলেন প্রেসবক্সে। আমি ঝুলে পড়লাম– একটা সাক্ষাৎকার দিতে হবে। আমি কখনো আপনার সঙ্গে কথা বলিনি। তখন সাংবাদিকরা একে অন্যকে সাহায্য করত। এক প্রথিতযশা সাংবাদিকের কথায় তিনি রাজী হলেন। আমায় বললেন তার সঙ্গে যেতে। কোথায় যাব? তার ওপরে তখন আমার হিন্দি ও কপিলদেবের ইংরেজি দুটোই তথৈবচ। আমার অবস্থা সেই সাহায্যকারী প্রথিতযশা সাংবাদিক বুঝলেন। তিনি আমার সঙ্গে এলেন। একটি ঘরে তিনি বসলেন আমার সঙ্গে। ইন্টারভিউ মূলত তিনি নিলেন। আমি অনুলেখকের কাজ করছিলাম। এক জায়গায় কপিলদেব ক্যাপ্টেন্সি প্রসঙ্গে বললেন– একজন ক্যাপ্টেন মাঠে কিন্তু একা। অন্যেরা পরামর্শ দেবে কিন্তু সিদ্ধান্ত ক্যাপ্টেনকেই নিতে হয়। ক্যাপ্টেনের সেটাই করা উচিত যা তার মন বলবে। ভুল হলে ভুল। ঠিক হলে ঠিক। ভুল হলে কী হবে? হারব। ব্যস। ফাঁসিতে তো ঝুলব না। কাজেই দ্বিধা কখনোই নয়। তাহলে বিপক্ষ মানসিক জোর পেয়ে যাবে।
সাংবাদিকতার জগত থেকে চলে এসেছি কর্পোরেট জগতে। ভারতের নতুন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। সাল সম্ভবত ২০০০। কলকাতা এয়ারপোর্ট অশোক হোটেলে পুরো ভারতীয় দল। সেদিন আমার কোম্পানির একটি সম্মেলন একই হোটেলে। হোটেলের জি এম আমার বন্ধু। সে সকালে ফোন করে জানাল যে ভারতীয় দল তার হোটেলে। যাবে বাংলাদেশ। টেস্ট খেলতে। সৌরভের সাংবাদিক সম্মেলন আছে বারোটায়। আমি যদি চাই আমি আমার মেয়েকে নিয়ে এগারটার মধ্যে চলে আসলে উনি আমার মেয়ের সঙ্গে সব প্লেয়ারের আলাপ করিয়ে দেবেন। আমার মেয়ের বয়েস তখন মাত্র দশ। বলতেই লাফিয়ে উঠল। সময়মত হোটেলে পৌঁছে দেখি সৌরভ লবিতে দাঁড়িয়ে। সাংবাদিক জীবনে ওর সঙ্গে আলাপ ছিল। ওর প্রথম রনজি ট্রফি ম্যাচ কভার করেছিলাম। সে সময় সৌরভের একটা অটোগ্রাফ আমার প্রেস কার্ডের ওপরে নিয়েছিলাম যা সৌরভ ভারতীয় দলে আসার পরে আমার মেয়ের অটোগ্রাফের খাতায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ছিল। এতদিন পরে চিনবে প্রত্যাশা করিনি। নিজেই এগিয়ে এসে কুশল জিজ্ঞাসা করল। আসার উদ্দেশ্য বললাম। শুনে আমার কন্যাকে বলল – চল, তোর সঙ্গে আমি সবার আলাপ করিয়ে দেই। তার আগে তোর অটোগ্রাফের খাতাটা দে। আমি সই করি। আমার মেয়ে গর্বিত গলায় বলল– তোমার অটোগ্রাফ আমার কাছে আছে। এই দেখো। সৌরভ খানিকক্ষণ নিজের কাঁচা হাতের অটোগ্রাফটা দেখল। তারপরে তার নীচে খালি জায়গায় লিখল – May be it’s my first autograph... Saurav Ganguly, Captain, India. তারপরে সৌরভ আমার মেয়েকে নিয়ে গেল সবার কাছে। আমার মেয়ে খুব উত্তেজিত। সৌরভ এসে বলল– দাদা, আমার সাংবাদিক সম্মেলনে চলো। তোমার মেয়ের ভালো লাগবে। গেলাম। অধিনায়ক সৌরভের প্রথম টেস্ট ক্যাপ্টেন্সি। সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতীয় সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে করতে একসময় একজন জিজ্ঞাসা করলেন – দেখুন, বাংলাদেশ যা টিম তাতে আপনাদের তো দুই ইনিংস ব্যাট করতে হবে না। আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তাহলে পারফরম্যান্স কিভাবে বিচার হবে ? সৌরভ বেশ দৃঢ় গলায় উত্তর দিয়েছিল– বাংলাদেশ এই প্রথম টেস্ট খেলতে নামছে। হয়ত হারবে। কিন্তু একসময় এরা ভাল ক্রিকেটই খেলবে যেমন আজ আমরা খেলছি। প্রতিপক্ষকে সম্মান দিতে শিখুন।

সাল ২০০৩। আগরতলা থেকে কলকাতা ফিরব। বিমানবন্দরে এসেছি। দলীপ ট্রফিতে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে খেলা শেষ করে পূর্বাঞ্চল দল ফিরছে। স্বল্প সিটের ফকার ফ্রেন্ডশিপ বিমান। পূর্বাঞ্চলের ক্যাপ্টেন তখন দেবাং গান্ধী। উইকেট রক্ষক টেস্ট খেলা দীপ দাশগুপ্ত। ভারতীয় দলে তখন দীপকে সরিয়ে কখনো উইকেট কিপিং করছে রাহুল দ্রাবিড় কখনো পার্থিব প্যাটেল। পূর্বাঞ্চল দলে কলকাতার খেলোয়াড়দের দাপট। জগমোহন ডালমিয়া তখন ক্ষমতায়। তারা নিজেদের সিটগুলি আগে নিয়ে নিয়েছে। আমার সিট বেশ পিছনে। আমার পাশে বসলেন এক পূর্বাঞ্চলের ক্রিকেটার। লম্বা চুল। নাম মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। তার পাশে আমার পরিচিত এক স্পোর্টস ফটোগ্রাফার । মাঝে বসা ধোনির সাথে সে আলাপ করিয়ে দিল। ধোনি পূর্বাঞ্চলের হয়ে তখন খেলছে ব্যাটসম্যান হিসেবে। সাংবাদিক মহলে তখন গুঞ্জন ভালই যে বাংলা লবি ধোনিকে চেপে দিচ্ছে প্রথমে সাবা করিমকে টিমে নেওয়ার জন্যে তারপরে দীপ দাশগুপ্তকে খেলানোর জন্যে। তাই পূর্বাঞ্চল দলে সে উইকেট কিপিং করতে পারছে না। গল্প করতে করতে মাঝ আকাশে প্রশ্নটা করে ফেললাম – আপনার কি মনে হচ্ছে না যে আপনাকে সৌরভ ফেভার করছে না ? ধোনি উত্তর দিল– দাদা, কী করবে! দাদা ইজ ফেয়ার। কিন্তু নির্বাচকরা উইকেট কিপিং নিয়ে সিরিয়াস নন। দেখছেন না রাহুল ভাইকে দিয়ে ট্রাই করছে। তবে আমি দাদার জায়গায় থাকলে...। বলেই আলোকচিত্রী বন্ধুর দিকে তাকিয়ে বলল– কোট করে দিও না। আমি বললাম– না, না, আপনি বলুন। ধোনি বলল- আমি দাদার জায়গায়  থাকলে টিমে কোন আনফিট প্লেয়ার বা উইক ফিল্ডার রাখতাম না। কারণ ক্রিকেটে সব বিভাগ একই রকমের গুরুত্বপূর্ণ। এটা টিমগেম। ভালো খারাপ সব দায়িত্ব ক্যাপ্টেনের।

আগের দিন ইংল্যান্ডের সঙ্গে ভারতের খেলার শেষে মনে পড়ছিল ধোনির কথাগুলি। বিরাটের কি সময় হয় নি এবার ধোনিকে ‘গুড বাই’ বলার? এর পরের ক্যাপ্টেন যার সঙ্গে আলাপ না হলেও তার ও তার দলের প্র্যাকটিস দেখেছিলাম ২০১৫ সালে। মাশরাফি মর্তুজা। কোচ শ্রীলঙ্কার ছিলেন সম্ভবত। দেখেই আমার মনে হয়েছিল যে এই টিমটা এবারে ভেলকি দেখাবে অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপে। আমি বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত ব্যান্ডের জন্যে গান লিখি। সেদিন ফিরেই কলম থেকে গান বেরোল। গানটা এখানে দিলাম-


‘লাল সবুজের দেশ আমাদের হাতে গড়া আমরা সেনানী এই বাংলার,
বিশ্বক্রিকেট মাঠে আজ যেন জ্বলে ওঠে এগারোটা রাজকীয় টাইগার।
একাত্তরের ক্ষত এখনো ভুলিনি কেউ, বিক্ষত বুকে সাধ একটাই,
বাঙালি বাঘের ডাকে বিশ্বক্রিকেট কাঁপে বীরের যুদ্ধে হারে ক্ষতি নাই।
জ্বলে ওঠো সাকিব আল, মাশরফি, মাহামুদ, জ্বলে ওঠো তামিম ও রহমান,
মাহমুদ, মুশফিকুর,  সানি ও সৌম্য ভাই, রুবেলের বলে শুনি জয়গান।
শহীদের খুনে রাঙা এদেশের জল ডাঙা যে কথাটা বারেবারে বলে যায়
বীরত্ব মিশে আছে আমাদেরই রক্তে দেশ মিশে গেছে সব সত্তায়।
সারা দেশ সাথে আছি, ক্রিকেটেই বেঁচে থাকি, দেশের জন্যে শুধু একবার,
জ্বলে ওঠো জ্বলে ওঠো আমাদের কলিজারা, এগারোটা রাজকীয় টাইগার।  

নাহ। কিছু বাস্তব সমস্যার জন্যে তারা গানটা রেকর্ড করতে পারল না ঠিকই। কিন্তু বাংলাদেশ বিশ্বকাপ কাঁপিয়ে দিয়েছিল। ভারতকেও বেশ মুশকিলে ফেলেছিল।

গত ১ বৈশাখ অল্পের জন্যে বাংলাদেশের অধিনায়কের সঙ্গে দেখা হল না। আজ তার দলের খেলা আমার দেশের বিরুদ্ধে। কাজেই শুভেচ্ছা থাকবে অবশ্যই কিন্তু সমর্থন থাকবে নিজের দেশের প্রতি। ভারত একদিনের ক্রিকেটে সবচেয়ে শক্তিশালী দল। তাহলে? তাদের হারাতে গেলে একটাই জিনিস আজ লাগবে। তা হল অকুতোভয় ব্যাটিং আর ক্যাপ্টেনস নক। মাথা ঠান্ডা করে অধিনায়ক যদি স্ট্র্যাটেজি প্রয়োগ ও প্রয়োজনে বদলাতে পারে তাহলে তাদের জয় অসম্ভব নয় আর ভারত যে অপরাজেয় দল নয় তা তো ইংল্যান্ড প্রমাণ করে দিয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর