Alexa কোকেনসহ গ্রেফতার হন ব্রুনো মার্স!

কোকেনসহ গ্রেফতার হন ব্রুনো মার্স!

খাদিজা তুল কুবরা  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৪৩ ১০ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ১৬:৫৮ ১০ জুলাই ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ব্রুনো মার্স তার চমৎকার গান ছাড়াও পরিচিত বিখ্যাত অসাধারণ গানের গীতিকার হিসেবেও। যদি আপনি বিখ্যাত এই শিল্পীর একজন ভক্ত হয়ে থাকেন তাহলে জেনে নিন ব্রুনো মার্স সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য-

১। ব্রুনো মার্সের আসল নাম পিটার গিনি বায়্যোট হারনান্দেজ। তবে তার স্টেজ নাম ব্রুনো মার্স। ভক্তদের কাছে তিনি এই নামেই পরিচিত। তবে নামটি ব্রুনো অনুপ্রেরণা স্বরূপ নিয়েছে রেসলার ব্রুনো সামারতিনো থেকে। কারণ ব্রুনো ছেলেবেলা থেকেই ছিলো স্বাধীনচেতা, আত্মবিশ্বাসী আর কঠোর পরিশ্রমী। যার ফলে সে নিজেকে রেসলার ব্রুনোকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়েছিলো। আর তার মেয়ে বন্ধুরা তাকে সবসময় বলতো ‘ পৃথিবী বহির্ভূত প্রাণী’। এ কারণে সে বেছে নেয় পৃথিবীর বাইরের গ্রহ মার্স কে তার শেষের নাম হিসেবে! 

২। তার টুইটার এ ফলোয়ার ভক্তের সংখ্যা ২৯ মিলিয়ন ছাড়িয়ে। 

৩। ব্রুনো মার্স হাওয়াইয়ের ওয়াইকিকিতে জন্মগ্রহণ করেন ১৯৮৬ সালের ৮ অক্টোবর। তার বাবা পিটি একজন পারকাশনিস্ট। যিনি পার্কাশন বাদ্যযন্ত্র বাজাতেন। তবে তার মা বার্নাদেতে ছিলেন একজন গায়িকা , এবং গানকে ভীষণ ভালোবাসতেন। তাদের ছয় সন্তানের একজন ব্রুনো মার্স। 

৪। ব্রুনোর মাত্র ৪ বছর বয়সে সে প্রথম কোনো কিছুতে অংশগ্রহণ করে তার ফ্যামিলি ব্যান্ড ‘দ্য লাভ নোটস’এ। 

৫। এক সাক্ষাৎকারে মার্স বলেন, বেশ ছোটবেলা থেকেই মার্স মাইকেল জ্যাকসন এবং এলভিস প্রেসলির ভক্ত ছিলেন এমনকি একসময় সে নিজের নাম দিয়েছিলেন  ‘লিটল এলভিস’। 

৬। অদ্ভুত শুনালেও সত্যি যে, ব্রুনো মার্সের ভক্তরা পরিচিত ‘হোলিগান্স’ বা ‘দস্যুরা’ নামে। 

৭। রোজভেল্ট নামক হাইস্কুলে পড়াকালীন সময় মার্স এবং তার বন্ধুরা মিলে একটি ব্যান্ড গঠন করেন যার নাম ছিলো ‘দ্য স্কুল বয়েজ’। এই ছোট্ট ব্যান্ডটিই ব্রুনো মার্সকে স্টেজ পারফর্ম করার আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। 

৮। ছোটোবেলা থেকেই অতিরিক্ত মেধাবী গায়ক হিসেবে পরিচিত এই গায়ক শুধুমাত্র পিয়ানোই না পারেন গিটার, ড্রামস সহ নানা ধরণের বাদ্যযন্ত্র। 

৯। ব্রুনোর যখন মাত্র ১৫ বছর বয়স তখন সে তার স্কুল টিচারকে পছন্দ করতে শুরু করে। যিনি কিনা তার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ বয়সে বড়। এমনকি ম্যামকে একটি প্রেমের চিঠি লিখেন। যেটি একটি আংটিতে মোড়ানো ছিল। সেই আংটিটি ছিলো তার মায়ের। ড্রয়ার থেকে চুরি করে এনেছিল। তবে স্কুল শিক্ষিকা এ ঘটনাটি ব্রুনোর মাকে জানান এবং আংটিটি তাকে ফিরিয়ে দেন। 

১০। ব্রুনোর পছন্দের খাবার তালিকার প্রথম পছন্দই চিকেন এডোবো। যেটি কি না ফিলিপাইনদের জাতীয় খাবার। 

১১। হাইস্কুলের গ্র্যাজুয়েশন শেষে ব্রুনো লস এঞ্জেলসে পাড়ি জমান এবং গান লিখতে শুরু করেন। বিদেশে পাড়ি জমানোর কারণ হিসেবে বলেন, হাওয়াইয়ে নাকি কখনো তার গান লিখতে ইচ্ছে হতো না। কিন্তু লস এঞ্জেলসে তিনি একের পর এক গান লিখতে পারছিলেন। 

১২। ব্রুনো গীতিকার  হিসেবে ২০০০ সালের শুরুর দিকে সফল হতে শুরু করেন। বিখ্যাত বিখ্যাত আর্টিস্টদের গান লিখতে শুরু করেন যেগুলো পরবর্তীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলো। ফ্লোরিডার ‘রাইট নাউ’ , ট্র্যাভি ম্যাককয়েসের  ‘বিলিয়নিয়ার’ , কেননের ‘ওয়েভিং ফ্ল্যাগ’ নামক অসংখ্য গানের গীতিকার ব্রুনো মার্স। 

১৩। ২০১০ সালের ১৯ শে সেপ্টেম্বর লাস ভেগাসের বাথরুমে ব্রুনো মার্স কোকেইনসহ এরেস্ট হন। সেসময় তার কাছে প্রায় ২ দশমিক ৬ গ্রামের মতো কোকেইন ছিলো। 

১৪। ২০১০ সালেই প্রথমবার গায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তা পান তার গান ‘নাথিং অন ইউ’ দিয়ে। 

১৫। তার লেখা প্রথম গান ছিলো সুগার মামা। যেটি পরবর্তীতে ব্রুনো নিজেই বলেন, সেটি নাকি খারাপ ছিলো। তার জনপ্রিয় গান ‘দ্য লেজি সং’ ও তার ভীষণ অপ্রিয়। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস