Alexa কাদা ও রং মাখা হাতগুলোতে আর ঘুরছে না ভাগ্যের চাকা!

কাদা ও রং মাখা হাতগুলোতে আর ঘুরছে না ভাগ্যের চাকা!

জান্নাতুল মাওয়া সুইটি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:২৩ ১৫ নভেম্বর ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

নিজের হাতে তৈরি পুতুল রং করছেন কেউ। আবার কেউ কেউ ভেজা মাটি দিয়ে নকশা করে পুতুল তৈরি করছেন। এমনই দৃশ্য দেখা যাবে পালপাড়ায়। ছোটবেলা থেকেই মাটির জিনিস তৈরিতে পারদর্শী কমলা রানী। এখনো সকাল থেকে সন্ধ্যা কাদা, মাটি ও রঙে ভিজে থাকে তার দুই হাত।

তার বাবা-মাও এ পেশার সঙ্গেই জড়িত ছিলেন। বর্তমানে তার বয়স ৫০ বছর। জীবিকার তাগিদে তাই এই বয়সেও মৃৎশিল্পের কাজ করতে হয় তাকে। তার বৃদ্ধ স্বামীও এক সময় এ কাজ করতেন। তবে বয়সের ভারে এখন আর সেই ক্ষমতা তার নেই। কমলা রানীর দুই ছেলে এবং তাদের স্ত্রীরা কেউ এ পেশার সঙ্গে জড়িত নয়। ছেলেরা কিছু কারিগরি কাজ শিখে নিজেদের পেশায় স্বাবলম্বী।

কাদা মাখা হাতজামালপুর শহর ঘেঁষে বয়ে যাওয়া এক সময়ের খরস্রোতা ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে বসতি গড়ে উঠে পাল পরিবারের। ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই পাল পরিবারের মৃৎশিল্পীরা মাটির তৈরি হাড়ি-পাতিলসহ নানা ধরনের বাসন-কোসন এবং খেলার সামগ্রী তৈরি করে আসছেন। এক সময় হাজার হাজার পরিবার মাটির তৈরী জিনিসপত্র বিক্রি করে জীবন অতিবাহিত করতেন। অথচ দিনকে দিন এই ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প আজ তার গৌরব হারাতে বসেছে। প্লাস্টিক সামগ্রীর কাছে তাদের মাটির তৈরি হাড়ি পাতিল  আজ হুমকির মুখে। মৃৎশিল্পের কদর কমে যাওয়ায় পালপাড়ার প্রায় শতাধিক কারিগর পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে জীবন যাপন করছেন। অভাব-অনটন যেন তাদের নিত্যসঙ্গী। এ কারণে অনেকেই বাপ-দাদার এ পেশা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।

‘মৃৎ’ মানে মাটি আর ‘শিল্প’ মানে নিজ হাতে তৈরি কোনো সুন্দর জিনিস। আর তাই মাটি দিয়ে তৈরি জিনিসপত্রকে বলা হয় মৃৎশিল্প। মৃৎ শিল্প গ্রাম বাংলার মাটি ও মানুষের কথা বলে। গ্রামীণ সভ্যতার বাংলাদেশে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য বন্ধন মৃৎ শিল্প। এই শিল্পের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বলা হয় ‘কুমার’। গ্রামে তাদের বলা হয় ‘পাল’। বিশ্বজুড়ে প্রত্যেকটি দেশের রয়েছে নিজস্ব শিল্প ও সংস্কৃতি। এই শিল্প ও সংস্কৃতির পরিচয়েই পরিচিত হয় সেই দেশ বা জাতি । একেকটি শিল্পের বিস্তারের পিছনে রয়েছে একেকটি দেশ বা জাতির অবদান। তেমনই একটি শিল্প হচ্ছে মৃৎ শিল্প।

মৃৎশিল্পে নারীরাতবে কমলা রানীর মত অনেকেই এখনো টিকিয়ে রেখেছেন এই শিল্প ঐতিহ্য।  তেমনই আরো একজন হলেন পদ্ম রানী পাল। তার বয়স ৪০ এর কোঠায়। তিনি জানান, এ পাড়ায় প্রায় ৯০ থেকে ৯৫টি পরিবার মাটির বাসন-কোসন তৈরির কাজ করে। দিন দিন এ পেশা থেকে অনেকেই অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। মাটির বাসন- কোসনের আর আগের মতো চাহিদা নেই। এখন অল্প বাসন-কোসনসহ মাটি দিয়ে শিশুদের জন্য নানা রকমের খেলনা- পুতুল, হাতি, ঘোড়া, বাঘ, পাখি, হরিণ, ফুল, ফুলের টব, ফলমূল তৈরি করি। 

এভাবে কষ্ট করে তারা জীবিকা চালাচ্ছেন। তবে এসব শিল্পীরা চান না তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যে এ পেশায় না জড়ায়। তাই অনেকেই উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় সন্তানকে লেখাপড়া করাচ্ছেন। রং-কাদা মাখা হাতগুলো এখন অনেকটাই নির্লীপ্ত। কারণ বেচা কেনা নেই! তাদের আক্ষেপ, এখন আর কেউ মাটির প্লেটে খায় না কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা ভাত। কেউ রাঁধে না মাটির হাড়িতে। প্লাস্টিক এবং অ্যালুমিনিয়ামের এই যুগে মাটির জিনিসের কদর কমে গেছে। প্রচীন বাংলার হারানো ঐতিহ্য ধরে রাখার প্রবল বাসনা থাকলেও ছাঁ পোষা এসব মানুষ আর পারছে না দারিদ্রতার কষাঘাত সহ্য করতে। তাই তো বাধ্য হচ্ছেন অন্য পেশায় যুক্ত হতে।

পালপাড়াতেই বানানো হয় মাটির জিনিসপত্রপালপাড়ার ইতিহাস

প্রাচীনকাল থেকে ৯০ এর দশক পর্যন্ত মৃৎশিল্পীদের নিপুণ হাতের তৈরি নিত্য ব্যবহার্য  মাটির তৈজসপত্র মানুষের চাহিদা পূরণে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। ব্রক্ষ্মপুত্র নদের তীরে জামালপুর শহরের পালপাড়ায় কমপক্ষে দুইশ বছর আগে গড়ে উঠে মৃৎশিল্প পল্লী। প্রাচীন যুগে পালবংশীয় মৃৎশিল্পীদের নিপুণ হাতের তৈরি মাটির বাসন-কোসন সমাজের সর্বস্তরেই সমাদৃত ছিলো। তখনকার দিনে মানুষের নিত্য ব্যবহার্য জিনিসগুলো ছিলো মাটির তৈরি- হাড়ি-পাতিল, ঢাকনা, পুসুন, ঝাজর, কড়াই, সরা,  ঘটি-বাটি, কলস ও চাড়ীসহ বিচিত্র জিনিস। এছাড়াও হুক্কা, কলকি, দিপালী, মলকে, কোলা, পুতুল, জালের কাঠি, ফুলদানি ও ফুলের টবসহ শিশুদের খেলার সামগ্রী। 

ওই সময় মৃৎশিল্পীদের ঘরে ছিলো না কোনো পুঁজির সঙ্কট। এছাড়াও কাঁচা মালের সহজলভ্যতা, তৈরি মালামাল সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ থাকায় এ শিল্পে শ্রম  দিয়ে তখন সুখেই দিনাতিপাত করেছেন মৃৎশিল্পীরা। আজ থেকে প্রায় দুই যুগ আগেও ব্রক্ষ্মপুত্র নদের তীরে জামালপুর শহরের রানীগঞ্জ বাজারের বিত্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি মৃৎশিল্পের হাট বসতো। ওই সময় প্রতিদিন বৃহত্তর ময়মনসিংহের শত শত মানুষ এ বাজার থেকে বিভিন্ন মাটির সামগ্রী পাইকারি ও খুচরা মূল্যে ক্রয় করে নিয়ে যেতেন। ১৯০১ সালের লোক গণনা হিসেবে জামালপুরের কুমার পরিবারের লোক সংখ্যা ছিল ১৫০০ জন। এরা সবাই হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত। 

নান্দিনার পালপাড়াযেভাবে মৃৎশিল্প তৈরি করা হয়

মৃৎশিল্পের কারিগরেরা এঁটেল মাটি দিয়ে বাসন-কোসন তৈরি করেন। এজন্য তারা  পৌষ-মাঘ মাসে মাটি সংগ্রহ করেন। তবে দরিদ্র এসব মৃৎশিল্পীরা মাটি অন্যের জমি থেকে কিনে আনেন। প্রতি হাজার মাটি এক হাজার দুইশ থেকে এক হাজার তিনশ টাকা দাম পড়ে। এই মাটি ছেনে চাকার ঘূর্ণনে তৈরি হয় বাসন-কোসন, খেলনাপাতি। বিধবা মৃৎশিল্পী মালতি রানী পাল বলেন, অন্যের জমির মাটি দিয়ে কাজ করি। এ কারণে তারা অর্ধেক বাসনকোসন নিয়ে যান। তিন মেয়ে নিয়ে কষ্টে আছি।

আরেক শিল্পী কার্তিক পাল এ পেশায় আছেন ছোটবেলা থেকেই। তারও বাবা-মায়ের মাধ্যমেই এ পেশায় হাতেখড়ি। তার মতে, মৃৎশিল্পের কাজ করে আটজনের খাবার খরচ চালাতে হয়। বছরের ছয় মাস মাটির বাসনপত্র বিক্রি করে চলি। বউ তৈরি করে, আমি গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিক্রি করি। শ্যামলা রানী পাল বলেন, বয়সের ভারে এখন আর কাজ করতে পারি না। এক বেলা যদি খায়, আরেক বেলা উপোস থাকতে হয়। 

মৃৎশিল্পের প্রধান উপাদান ‘কাদামাটি’। যার থাকতে হবে দু’টি প্রধান বৈশিষ্ট্য এটি আঁঠালো হবে, যেন একে যেকোনো আকার দেয়া সম্ভব হয়। এটি আগুনে পোড়ালে শক্ত হয়ে যাবে। বহির্বিশ্বে, কাদামাটি দিয়ে তৈরি ও আগুনে পোড়ানো, সব উপকরণকেই সাধারণতভাবে ‘সিরামিক’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। শাব্দিক অর্থ বিশ্লেষণে দেখা যায়, কাদামাটি দিয়ে তৈরি এবং পরে আগুনে পোড়ানো সব উপকরণই হলো মৃৎশিল্প। 

হাড়ি বানাতে ব্যস্ত নারীরাকাদামাটি দিয়ে তৈরি পাত্র শুকিয়ে পোড়ানোর পরও তাতে বেশি দিনের জন্য পানি ও অন্যান্য তরল পদার্থ ধরে রাখা সম্ভব হত না। কারণ, মৃত্তিকা কণিকাগুলো সুসংহতভাবে বেঁধে রাখার কোনো পদার্থ তখন পর্যন্ত আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। পরে মিসরীয় মৃৎশিল্পীদের আবিষ্কৃত এক প্রকার বার্নিশ ‘ইজিপশিয়ান ব্লু’র প্রলেপ লাগিয়ে মৃৎপাত্রকে পানি অভেদ্য ও অধিকতর টেকসই করার ব্যবস্থা করা হয়। প্রত্নতত্ত্ববিদদের আবিষ্কার থেকে বলা যায়, মৃৎশিল্পে নকশার সূত্রপাত ঘটে প্রস্তরযুগের শেষ পর্যায়ে।

মৃৎশিল্পের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ

বিশ্ববিখ্যাত নৃতত্ত্ববিদ লুই হেনরি মর্গান মৃৎশিল্পে আবিষ্কারকে বন্য অবস্থা থেকে বর্বর অবস্থায় উত্তরণের সূচনা বলে চিহ্নিত করেছেন। মৃৎশিল্পে ঐতিহ্য শত-সহস্র বছর আগের। প্রস্তর যুগের আদিম মানুষ এ শিল্পের আদি শিল্পী। এ যাবৎকালে প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে উদ্ধারকৃত প্রাচীনতম মৃৎপাত্রের নিদর্শন হচ্ছে– নব্য প্রস্তরযুগের স্থূল মৃৎপাত্র, যা ঝুড়ি কাঠামোতে তৈরি। একই ধরনের আরেকটু উন্নত পাত্র পাওয়া গেছে নিল, ইউফ্রেটিস ও সিন্ধু তীরবর্তী এলাকাগুলোতে।  

ধারণা করা হয়, মধ্যপ্রাচ্যেই সর্বপ্রথম মাটির পাত্র তৈরি হয়, মধ্যপ্রাচ্যেই সবচেয়ে উন্নতমানের অলংকৃত মৃৎপাত্র তৈরি হতো দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের সুসা অঞ্চলে। এতে জ্যামিতিক নকশা ছাড়াও জলপ্রপাত ও ছুটন্ত কুকুরের ছবি চিত্রিত আছে। মিসর ও মেসোপটেমিয়া ছাড়াও সিন্ধু তীরবর্তী এলাকা, চীন, পারস্য ও এশিয়া মাইনরের  বিভিন্ন স্থানে প্রাচীন মৃৎশিল্পে নিদর্শন পাওয়া গেছে।

প্রত্নতাত্ত্বিক বিভিন্ন তৈজসপত্রভারতীয় উপমহাদেশের মৃৎশিল্পে ইতিহাস কম্পক্ষে পাঁচ হাজার বছরের প্রাচীন। ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চল থেকে হরপ্পা-মহেঞ্জদারো অবধি বিস্তৃত ভূ-খন্ডে একদা যেসব আদিম সভ্যতার উদ্ভব হয়েছিল। সেগুলোর পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে  অন্যতম হচ্ছে বিভিন্ন ছাঁচের ও নানা আকারে হাঁড়ি, কলসি, সরা, মটকা, গেলাস, পেয়ালা, থালা বাটি চামচ, ঢাকনি ইত্যাদি। এসবই মূলত চাকে তৈরি হত। প্রাগৈতিহাসিক যুগে মাটির তৈরি জিনিসপত্র রোদে শুকিয়ে শক্ত করা হত এবং প্রধানত শস্য ও শুকনো দ্রব্যাদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হতো। মৃৎশিল্পে ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এর উৎপত্তি ঘটেছে ‘নিয়োলিথিক’ বা নব্য প্রস্তরযুগে।

নান্দিনার পালপাড়ার বর্তমান অবস্থা

উৎপাদনে ব্যয় বৃদ্ধিসহ সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের জায়গার সঙ্কটের সম্মুখীণ শিল্পীরা। কাঁচা মালের দুষ্প্রাপ্যতা এবং সরকারি কোনোপ্রকার পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় পুঁজি সংকট, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, বাজারজাতকরণে ত্রুটি ও পরিবহন সমস্যায় জর্জরিত মৃৎশিল্পীরা। কাজও অনেক  কমে এসেছে। বর্তমানে বিভিন্ন নার্সারিতে মাটির তৈরি টব বিক্রি হয়। কিছু কিছু ধনী মানুষ ঘরের শোভা বর্ধনে মাটির তৈরী ফুলদানি কিনেন। বিভিন্ন মেলা প্রাঙ্গনে বাচ্চাদের খেলনা বিক্রি হয়। তবে আগের মত না। এখন অল্প বাসনসহ মাটি দিয়ে শিশুদের জন্য নানা রকমের খেলনা- পুতুল, হাতি, ঘোড়া, বাঘ, পাখি, হরিণ, ফুল, ফুলের টব, ফলমূল তৈরি হয়। 

পালপাড়ার শিশুর শৈশবমৃৎশিল্পীদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম 

প্রাচীন যুগের ঐতিহ্য বহনকারী জামালপুরের মৃৎশিল্প দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এ পেশায় সক্ষম শিল্পীদের অনেকেই এখন তাদের বাপ দাদার পেশা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন  অন্য পেশায়। যদিও মৃৎশিল্পের সঙ্গে জড়িতদের অনেকেই পৈত্রিক পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় কাজ করতে উৎসাহী নন। ফলে তাদেরকে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। তারা চান না তাদের সন্তানদের এই পেশায় যুক্ত করতে। অনেকেই  তাদের সন্তানকে শিক্ষিত করে তুলছেন। আবার বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই ফল বিক্রি কিংবা অন্যান্য ব্যবসা করে জীবনধারন করছেন।  

এখনো গ্রাম বাংলার মানুষের মন ও মননে, ভালাবাসায় গেঁথে  রয়েছে মাটির প্রতি এক অবিচ্ছেদ্য অনুরাগ। পরিবেশ বান্ধব মৃৎশিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে আগে সব শ্রেণীর মানুষকে মৃৎশিল্পের তৈরী মাটির জিনিসপত্র ব্যবহারে উদ্যোগী হতে হবে। এ পেশার সঙ্গে জড়িতদের কথা বিবেচনা করে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা খুবই প্রয়োজন। সরকারি-বেসরকারি উৎসাহ, প্রণোদনা ও পুনর্বাসনের সুযোগ বাড়লে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ শিল্প ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। এ পেশার উন্নয়ন ও বিকাশের লক্ষ্যে সরকার, উদ্যোক্তা ও ব্যাংকগুলো যদি এগিয়ে আসে, তাহলে মৃৎশিল্প ফিরে পাবে হারানো ঐতিহ্য।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস