Alexa কলমাকান্দা মুক্ত দিবস আজ

কলমাকান্দা মুক্ত দিবস আজ

কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:১৯ ৭ ডিসেম্বর ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোনার কলমাকান্দা পাক-হানাদার মুক্ত দিবস ৭ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এ দিনে মুক্তিযোদ্ধা ও জনতার ত্রিমুখী আক্রমণে পাক হানাদার বাহিনী ও রাজাকাররা নেত্রকোনার দক্ষিণ দিকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় এবং মুক্ত হয় কলমাকান্দা উপজেলা।

ওইদিন উত্তোলন করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। এ দিবসটি বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপনের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড এর যৌথ উদ্যোগে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

আলোচনা সভায় উপস্থিত থাকবেন প্রধান অতিথি নেত্রকোণা-১ আসনের এমপি মানু মজুমদার ও বিশেষ অতিথি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল খালেক তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা চন্দন বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন আজাদ।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সুলতান গিয়াস উদ্দিন জানান, প্রতি বছরের মতো আমরা পাক-হানাদারমুক্ত দিবস উদযাপনের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। এসব কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিক, গণমাধ্যম কর্মী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করবেন।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল খালেক তালুকদার জানান, মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হক তারা (টাইগার তারা’র) নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ২৬ জুলাই সম্মুখ যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুরে পাক-হানাদার বাহিনীর সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। সেদিন শহীদ হন নেত্রকোনার ডা. আবদুল আজিজ, ফজলুল হক, জামালপুরের জামাল উদ্দিন, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার নুরুজ্জামান, দিজেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বাস, ইয়ার মাহমুদ ও ভবতোষ চন্দ্র দাস। এ সব শহীদদের কলমাকান্দা উপজেলার সীমান্তবর্তী লেঙ্গুরা এলাকার ১১৭২ নম্বর ভারতীয় সীমান্ত পিলারের কাছে সমাধি দেয়া হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম