করোনা মোকাবিলায় নেতাকর্মীদের সাত নির্দেশনা কাদেরের

করোনা মোকাবিলায় নেতাকর্মীদের সাত নির্দেশনা কাদেরের

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ০৩:২০ ২৩ মার্চ ২০২০   আপডেট: ১১:৫১ ২৩ মার্চ ২০২০

ওবায়দুল কাদের

ওবায়দুল কাদের

করোনাভাইরাসের সঙ্কট মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে সাতটি দিকনির্দেশনা দিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সাতটি দিকনির্দেশনা হলো

১. আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সব নেতা-কর্মীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও সতর্কতা মেনে চলে সারাদেশের জনগণের মধ্যে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে করোনাভাইরাস সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টি করবেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সঠিক তথ্য দিয়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করবেন এবং জনসমাগম হতে পারে এমন কর্মসূচি পরিহার করবেন। সঠিক তথ্য দেয়ার মাধ্যমে মানুষের মনে সৃষ্ট আতঙ্ক দূর করবেন এবং গণমাধ্যমে প্রচারিত সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য জনগণকে উৎসাহিত করবেন।

২. ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, গ্রাম ও শহর পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশফেরত ব্যক্তিদের তালিকা প্রস্তুত করে ওই ব্যক্তিদের তথ্য স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগকে অবহিত করবেন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন। প্রয়োজনে সরকার ঘোষিত হটলাইনে যোগাযোগ করবেন।

৩. করোনাভাইরাস সঙ্কট নিয়ে সব ধরনের গুজব, মিথ্যা তথ্য, অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে এবং এই সব অপকর্ম প্রতিরোধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। একইসঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে প্রশাসনকে অবহিত করতে হবে।

৪. বাংলাদেশে কোনো খাদ্য সঙ্কট নেই। বাজারে গুজব সৃষ্টি করে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির অপতৎপরতা ও মজুতদারির বিরুদ্ধে সতর্ক অবস্থান নেবেন। এ বিষয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবেন।

৫. জনপ্রতিনিধিরা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণমূলক কর্মকাণ্ডে স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন এবং নিজ নিজ এলাকার জনগণকে সচেতন করবেন।

৬. কোনো ব্যক্তির মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দিলে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগকে অবহিত করে তাদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা প্রদানে সহযোগিতা করবেন।

৭. বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য তথা দেশের প্রতিটি নাগরিকের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জীবনের নিরাপত্তা রক্ষায় বদ্ধপরিকর। তিনি বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস সঙ্কট মোকাবিলার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে নিবিড়ভাবে কাজ করে চলেছেন। দেশবাসীর সম্মিলিত সচেতনতা, সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি পালনই পারে ভয়াবহ এই সঙ্কট থেকে আমাদের রক্ষা করতে। বাংলাদেশ তথা বিশ্ববাসীর এই ক্রান্তিলগ্নে সকলকে ধৈর্য, সতর্কতা, দায়িত্বশীলতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। পরম করুণাময় আমাদের সহায় হোন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জাআ/আরএইচ/এসআর