করোনায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ১১ রোগী

করোনায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ১১ রোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:১৯ ২৬ মার্চ ২০২০   আপডেট: ১৬:২৩ ২৬ মার্চ ২০২০

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ১১ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে জানিয়েছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে এক লাইভ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি জানান, শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১২৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নতুন করে আরো পাঁচ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। এদের সবাই পুরুষ। একজন বিদেশফেরত। 

তিনি বলেন, এ নিয়ে দেশে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৪ জনে। মারা গেছেন পাঁচ জন।

মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, এর আগে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন ৭ জন। আরো চার জন সুস্থ হয়েছেন। সব মিলিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে ১১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

ব্রিফিংয়ে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে নাগরিকদের করণীয়ও তুলে ধরেন।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস এখন বৈশ্বিক মহামারি। বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এ ভাইরাসটি। এখন পর্যন্ত এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় পৌনে ৫ লাখ এবং মারা গেছেন ২১ হাজার ৩৩৬ জন মানুষ। অপরদিকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ১৪ হাজার ৭৭৯ জন।

বাংলাদেশে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে গত ৮ মার্চ। করোনার বিস্তাররোধে দেশের সব স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েতের ওপর। চীন ও যুক্তরাজ্য ছাড়া সব দেশ থেকেই যাত্রী আসা বন্ধ হয়ে গেছে।

বন্ধ করে দেয়া হয়েছে দেশের সব বিপণিবিতান। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে আদালতও। এমনকি একাধিক এলাকাকে লকডাউনও ঘোষণা করা হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার জন্য দেশের সব জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এখন পর্যন্ত ২১ হাজার ২০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে এ ভাইরাস যাদের শরীরে শনাক্ত হয়েছে তাদের ১ লাখ ১৪ হাজার ২১৮ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এছাড়া ভাইরাসটি মোট শনাক্ত হয়েছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯০৫ জনের শরীরে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএএম/এসআই