করোনার বুলেটিন একেবারে বন্ধ না করার আহ্বান কাদেরের

করোনার বুলেটিন একেবারে বন্ধ না করার আহ্বান কাদেরের

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৫:৩২ ১২ আগস্ট ২০২০  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত বুলেটিন একেবারে বন্ধ না করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার সিলেট জোন, বিআরটিএ, ও বিআরটিসি’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এ আহ্বান জানান তিনি। 

স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত বুলেটিন একেবারে বন্ধ না করে সপ্তাহে দুইদিন প্রচারের জন্য আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ, মৃত্যুসহ প্রতিদিন স্বাস্থ্য বিভাগের আপডেট বন্ধ হলে সংক্রমণ বিস্তারে জনমানুষের মাঝে শৈথিল্য দেখা দিতে। পাশাপাশি গুজবের ডাল-পালা বিস্তারের আশঙ্কাও থেকে যাবে। তাই বিষয়টি বাস্তবতার নিরিখে বিবেচনায় নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতিও অনুরোধ করেন তিনি।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশে করোনার দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে। এ সময় আমাদের আরো সতর্ক থাকা জরুরি। আমাদের দেশে রাজধানী ঢাকায় লক্ষণ ছাড়াও সংক্রামণ হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এবং গণমাধ্যমে এ খবর বেরিয়েছে। 

তিনি বলেন, নমুনা পরীক্ষার তুলনায় সংক্রমণের হার কমছে- এ কথা বলা যাবে না। সবার জন্য মাস্ক পরা আবশ্যকীয়। অপরদিকে প্রতিরোধ ব্যবস্থাও জরুরি। করোনার এ সময়ে সরকার জনসমাবেশ বা কোনো ধরনের সমাগম সংক্রমণ রোধের স্বার্থে বন্ধ ঘোষণা করেছে। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম কিংবা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকার দ্রুততার সঙ্গে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ নিয়ে মানববন্ধন ও রাজনৈতিক কর্মসূচি করোনার সংক্রমণকে উৎসাহিত করতে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে কোনো মামলার সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে এবং এ সময়ে সবাইকে ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শনের আহ্বান জানান।

সভা-সমাবেশে বাধা দেয়া হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোথাও সভা-সমাবেশে বাধা দেয়া হচ্ছে না। কিন্তু এই করোনা ও বন্যাকালে সভা-সমাবেশ তো হওয়ারই কথা নয়। সভা-সমাবেশে বাধা দেয়ার কোনো তথ্য প্রমাণ থাকলে বলতে পারেন। এভাবে ঢালাওভাবে বলা সমুচিত নয়। 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, কিছু কিছু গণপরিবহন সম্পর্কে অভিযোগ পাওয়া গেছে- সরকারের নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গাড়ি চালাচ্ছে। আবার কোনো কোনো পরিবহন  অর্ধেক আসন খালি রেখে গাড়ি চলাচলের শর্ত থাকলেও তা ভঙ্গ করছে।

তিনি বলেন, ঈদের আগে এই প্রবণতা ছিল না। ঈদের সময় এ চিত্র দৃশ্যমান হয়েছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।  

এ বিষয়ে বিআরটিএ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে তাদের আইন প্রয়োগ করার অনুরোধ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, যে সব পরিবহন শৃঙ্খলা ভঙ্গ করছে সে সব পরিবহনক দায় নিতে হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জাআ/এসআই