করোনাভাইরাসে ইতিহাস হয়ে থাকবে যেসব চিত্র

করোনাভাইরাসে ইতিহাস হয়ে থাকবে যেসব চিত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:৪৯ ৩১ মার্চ ২০২০   আপডেট: ১৮:০৩ ৩১ মার্চ ২০২০

জনশূন্য বিশ্বের লোকারণ্য স্থানগুলো

জনশূন্য বিশ্বের লোকারণ্য স্থানগুলো

১০০ বছরের মধ্যে বিশ্বে অনেক স্থানে লোকারণ্য মুক্ত কখনই দেখা যায়নি। সেই সব স্থানে আজ ফাঁকা দৃশ্য।করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে মড়কের মতো মানুষের মৃত্যুর কারণে জনশূন্য বিশ্বের ঐতিহাসিক সব স্থান। সেখানকার চিত্র ভবিষ্যতে ইতিহাস হয়ে থাকবে। বিশ্বের লোকারণ্য থাকা ফাঁকা স্থান নিয়ে আজকের আয়োজন।

১. কাবা শরীফ

ইসলামের অনুসারীদের কেবলা হচ্ছে পবিত্র কাবা শরীফ। সৌদি আরবে অবস্থিত কাবা শরীফে হজ পালন করতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে সব সময় লাখো মুসলিম হাজির হন। করোনাভাইরাসের কারণে সৌদি আরব লকডাউন। বন্ধ করা হয়েছে মসজিদ ও কাবা শরীফের চারপাশ। তাই সেখানে মানুষের আনাগোনা নেই। সম্প্রতি কাবা শরীফের ঘরের চারপাশে পাখি উড়ার দৃশ্যটি সবাইকে তাক লাগিয়েছে।

২. ভ্যাটিকান সিটি

ভ্যাটিকান সিটি রোমান ক্যাথলিক গির্জার বিশ্ব সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত। ইতালির রোম শহরে অবস্থিত স্বাধীন এ রাষ্ট্রের প্রধান পোপ ফ্রান্সিস। সেখানে উপস্থিত হয়ে হাজারো ধর্মীয় উপদেশ শুনতেন। কিন্তু মৃত্যুপুরী ইতালিসহ সবকিছু লকডাউন রয়েছে। তাই ভ্যাটিকান সিটি জনশূন্য। 

৩. আইফেল টাওয়ার

ইউরোপ বিশ্বের মানুষের ভ্রমণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। আর ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হচ্ছে ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ার। সব সময় সেখানে মানুষের আনাগোনা দেখা যেত। সেখানে ছবি বা সেলফি তোলায় মগ্ন থাকতো সবাই। কিন্তু করোনাভাইরাস সবকিছু বদলে দিয়েছে। এখন আইফেল টাওয়ারের আশপাশে কোনো মানুষ নেই। জনশূন্য আইফেল টাওয়ার মানুষ ছাড়া নিরব স্থান।

৪. চীনের ওভারপাস

চীনের ওভারপাস ব্যস্ততম সড়কের জন্য বেশ পরিচিত। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চীন কর্তৃপক্ষ লকডাউন ঘোষণা ও কঠোর নির্দেশনা দেয়ার পর ওভারপাসে কোনো মানুষ বা গাড়ি দেখা যাচ্ছে না। অচেনা রূপে রয়েছে ব্যস্ততম ওভারপাস।

৫. তাজমহল

ভারতের পর্যটন শিল্পের অন্যতম আকষর্ণীয় কেন্দ্রবিন্দু তাজমহল। মোঘল সম্রাট শাজাহানের নির্মাণ করা স্থাপনাটি দেখতে বিশ্বের নানা প্রাপ্ত থেকে ভিড় করতেন পর্যটকরা। এখন করোনাভাইরাস মোকাবিলায় লকডাউন গোটা ভারত। তাই তাজমহল দেখতে আসছে না কেউ।

৬. কারাগার নাকি ঘর?

১০০ বছর আগে স্পেন ফ্লুর পর মানুষদের ঘরে বন্দী থাকার জন্য কোনো সরকার বা গবেষকরা বলেননি। কিন্তু করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ঘরে বন্দী থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তাই লোকেরা কারাগারে আছেন নাকি ঘরে আছেন তা বুঝা মুশকিল।
 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ