Alexa কমেনি পেঁয়াজের দাম, চড়া সবজিও

কমেনি পেঁয়াজের দাম, চড়া সবজিও

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:০৫ ৮ নভেম্বর ২০১৯  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

গত কয়েক মাস ধরে বাজারে ওঠা-নামা করছে পেঁয়াজের দাম। এ সময়ের মধ্যে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ক্রেতাদের কিনতে হয়েছে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা দামে। তবে এখন তা কমে বাজারভেদে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে বাজারে সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি শাক-সবজির। তবে স্থিতিশীল রয়েছে চাল, মাছ, গরুর মাংস ও মুরগির দাম।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, কচুক্ষেত বাজার, মোহাম্মদপুর, শান্তিনগর কাঁচাবাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

এসব বাজারে দেখা যায়, বাজারভেদে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা দরে। এক সপ্তাহ আগে যা প্রতি কেজি ১৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এসব বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি আমদানি করা ভারতীয় (বড়) পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা গেছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা। এক সপ্তাহ আগে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ (ছোট) প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছিল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা।

সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি সব ধরনের পেঁয়াজে ১০ টাকা কমেছে। তবে পেঁয়াজে দাম কমলে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে।

কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা করিম মন্ডল বলেন, পাইকারি বাজারে দাম কমলে খুচরা বাজারেও দাম কমবে। তবে আদমানি করা পেঁয়াজ দেশের বাজারে এলে আগের দামে পাওয়া যাবে।

পেঁয়াজ কিনতে আসা মো. তরিকুল বলেন, পেঁয়াজের দাম কমছেই না। পণ্যটি কিনতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। কিন্তু এক্ষেত্রে সরকারের আরো তদারকি বাড়ানো দরকার।

এদিকে গতকাল টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রিতে দেখা যায় বিশাল লাইন। আর চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ কম থাকায় টিসিবির পক্ষ থেকেও ৩ কেজির জায়গায় দেয়া হচ্ছে এক কেজি। এছাড়া লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকেই পেঁয়াজ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।

এদিকে, বাজারে শীতকালীন সবজি আসতে শুরু করেছে। ফুলকপি প্রতি পিস ৩০ টাকা, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৬০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, ঝিঙে ৭০ টাকা, শিম ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০-৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতিকেজি ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতিকেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাশাপাশি লালশাক ও পুঁইশাক আঁটি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে আসা ক্রেতা আতিফ বলেন, এভাবে বেশি দামে সবজি কিনতে গিয়ে আমাদের পরিবার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। শীতকালে প্রচুর সবজি বাজারে আসে। কিন্তু বাজারে এসে মনে হচ্ছে, সবজি কেনাই হবে না।  অনেক কেনার ইচ্ছা হলেও দুই পদের বেশি সবজি কিনতে পারলাম না।

রাজধানীর মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে এক কেজি ৩০০ থেকে এক কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০-১০০০ টাকায়। এক কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়। ৪০০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪৫০ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাশ ১৬০ টাকায়, চাষের রুই কেজি ৪০০ টাকায়, পাবদা ৬৫০-৭৫০ টাকায় কেজি বিক্রি হচ্ছে। টেংরা বিক্রি হচ্ছে কেজি ৬০০-৭০০ টাকায়।

এছাড়া গত সপ্তাহের মতো প্রতি হালি ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৩৮ টাকা। তবে কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকা। গরুর মাংস ৫৫০-৫৭০ টাকা ও খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮৫০ টাকায়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে