Alexa কপিতে ভাগ্যের বদল

কপিতে ভাগ্যের বদল

ফরহাদ আমিন, টেকনাফ (কক্সবাজার)    ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৭:২১ ২৩ জানুয়ারি ২০২০  

ছবি: ডেইলি ‍বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি ‍বাংলাদেশ

কক্সবাজারের টেকনাফে বাঁধাকপি ও ফুলকপি চাষ করে শত শত কৃষক ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে কপি চাষ। এর মাধ্যমেই আশায় বুক বেঁধেছেন কৃষকরা। উপজেলার চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কপি সরবরাহ করা যাবে বলে মনে করছেন চাষিরা। 

টেকনাফের মাটির উর্বরতা শক্তি ও আবহাওয়া সবজি চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় গত বছর কয়েকজন লোক কপি চাষ করে লাভবান হয়েছেন। তাই এ বছর বাঁধাকপি ও ফুলকপি চাষের দিকে অনেকেই ঝুঁকছেন। তবে আবহওয়া অনকূলে থাকায় উপজেলার  অনেক কৃষক বাঁধাকপি চাষ করছেন।

কৃষকরা জানান, এক সময় জমিতে ধান ও অল্প কিছু সবজি চাষ ছাড়া তেমন কিছু হতো না। গত বছর গ্রামে কপির চাষ শুরু হয়। লাভজনক আবাদ হিসেবে কপি চাষে আগ্রাহী হয়ে ওঠেন কৃষকরা। এরপর থেকে এলাকার চাষিরা কপি চাষের দিকে ঝুঁকেছেন। নিজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে চাষিরা এ চাষ শুরু করেন। পল্লান পাড়া, দমদমিয়া গ্রাম পেরিয়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে কপি চাষ। এ চাষের মাধ্যমে কৃষকরা বেশ লাভবান হচ্ছেন। 

টেকনাফ সদর লম্বরীর বাধাকপি চাষি মীর কাশেম বলেন, প্রতি বছর তিনি বিভিন্ন ধরনের সবজি আবাদ করেন। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাঁধাকপির চাষ করে ফলন ভালো হয়েছে। এবার লাভবান হবেন বলে তিনি আশা করছেন। 

হাবিরছড়া গ্রামের সবজি চাষি আব্দুল গফুর জানান, প্রতি বিঘা বাঁধাকপি ও ফুলকপি চাষ করতে খরচ হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। কপি চাষ করতে খুব বেশি পরিশ্রমও করতে হয় না। তাই তিনি এ বছর বাঁধাকপি চাষ করেছেন। এ বছর তিনি তিন বিঘা জমিতে বাঁধাকপি চাষ করছেন। এতে তারা ৫০ হাজার টাকা মতো খরচ হয়েছে। আর বাঁধাকপির ভালো ফলন হওয়ায় প্রায় এক লাখ টাকা আয় হবে বলে ধারণা করছেন।

একই এলাকার কপি চাষি আব্দুস সামাদ বলেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শে এ চাষ করেছি। বাঁধাকপি উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হবে। বাজারে কপির ভালো দাম রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা উপসহকারী কৃষি অফিসার শফিউল আলম বলেন, এ বছর উপজেলার ২২ হেক্টর জমিতে কপি চাষ হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও খরা না থাকলে আরো বেশি লাভবান হবেন কৃষকরা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও খরা মোকাবিলা করে ভবিষ্যতে কপি চাষ আরো ভালো যেন করতে পারে তার জন্য উপজেলার কৃষি বিভাগ কাজ করছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর