Alexa কক্সবাজারে ফণি’র তাণ্ডব দেখতে যাওয়া পর্যটকরা বিপাকে

কক্সবাজারে ফণি’র তাণ্ডব দেখতে যাওয়া পর্যটকরা বিপাকে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১০:১৯ ৪ মে ২০১৯   আপডেট: ১০:৫৯ ৪ মে ২০১৯

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

এ মুহূর্তে সাগর উত্তাল। বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ছে তীরে। চারদিক জনশূণ্য। ব্যবসায়ীরা দোকান-পাট বন্ধ করে আশ্রয় নিয়েছেন নিজ নিজ বাড়ি ও নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রে। এরই মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’র তোয়াক্কা না করে ঝুঁকি নিয়ে সাগরের উত্তাল রূপ দেখতে অল্প কিছু সংখ্যক পর্যটক কক্সবাজারে অবস্থান করছেন। তবে শনিবার সকাল থেকেই তারা বিভিন্ন কারণে বিপাকে পড়েছেন।

কক্সবাজারে অবস্থানরত পর্যটক শফিউল আলম বলেন, এত ভয়াবহ রূপ নেবে ভাবিনি। ফণির খবর পাওয়ার পর থেকেই কক্সবাজারের সব দোকানেই খাবারের দাম বেড়ে যায়। আজ তো কোনো দোকানই খোলা পাচ্ছি না। কখন খুলবে তাও জানি না। এদিকে বাসও চলছে না ঠিকমতো। হোটেলেই থাকতে হবে।

কক্সবাজার হোটেল-গেস্ট হাউস অফিসার্স এসোসিয়েশন'র সাংগঠনিক সম্পাদক ও হোয়াইট অর্কিড হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) রিয়াদ ইফতেখার বলেন, মে দিবসে যেসব পর্যটক কক্সবাজার এসেছিলেন তাদের বেশিরভাগই হোটেল ছেড়ে চলে যাননি। বরং অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় পর্যটকরা ফণি কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানবে জেনে প্রকৃতির রুদ্ররোষ দেখতে সৈকত পারে এসে থাকতে রুম বুকিং দিয়েছে।

মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুখিন খান বলেন, কক্সবাজারে এখন পর্যটক নেই বললেই চলে। তবে কিছু পর্যটক আমার হোটেলে বুকিং দিয়েছেন। বুকিং দেয়া পর্যটকরা জানিয়েছেন, তারা ঘূর্ণিঝড়ের রূপ দেখবেন। এছাড়াও সামনে রমজান তাই পর্যটক আসা কমে যাচ্ছে।

পর্যটক শূন্য কক্সবাজার কক্সবাজার ট্যুরিস্ট জোনের পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান বলেন, গতকাল বিকালে কিছু পর্যটকের দেখা মিলেছিল। তবে খুব বেশি না। পর্যটক না থাকলেও আমাদের নিরাপত্তা এবং ফণির বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করা হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে