ওসি প্রদীপকে নেয়া হচ্ছে কক্সবাজার

ওসি প্রদীপকে নেয়া হচ্ছে কক্সবাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:২৫ ৬ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৫:২১ ৬ আগস্ট ২০২০

ওসি প্রদীপ কুমার দাস

ওসি প্রদীপ কুমার দাস

টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মৃত্যুর ঘটনায় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে হেফাজতে নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। বর্তমানে বিশেষ নিরাপত্তায় তাকে কক্সবাজার নেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম থেকে প্রদীপ কুমারকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয় বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান।

তিনি বলেন, ওসি প্রদীপ কুমার চট্টগ্রামের দামপাড়ায় অবস্থিত সিএমপি’র হাসাপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। সেখান থেকে তাকে হেফাজতে নেয়া হয়। এখন তাকে বিশেষ নিরাপত্তায় কক্সবাজার আদালতে পাঠানো হচ্ছে। সেখানে তিনি আত্মসমর্পণ করবেন। তবে এখন তাকে সিএমপির হাতে আটক বা গ্রেফতার বলা যাবে না। 

এর আগে গতকাল বুধবার রাতে সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসকে প্রত্যাহার করা হয়।

গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা রাশেদ খান।

এ ঘটনায় বুধবার কক্সবাজারে টেকনাফ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে ওসি প্রদীপ ও মো. লিয়াকতসহ নয়জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত সাবেক মেজর সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানার ওসিকে মামলাটি এফআইআর হিসাবে রুজু এবং র‌্যাব-১৫ কে তদন্তের নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্র জানা যায়, আদালতের আদেশ মতে দায়ের করা মামলাটি বুধবার রাতেই টেকনাফ মডেল থানায় নিয়মিত একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলা নম্বর সিআর: ৯৪/২০২০ ইংরেজি (টেকনাফ)। এজাহারভুক্ত নয়জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

ওসি প্রদীপ ও লিয়াকত ছাড়া মামলায় এসআই নন্দলাল রক্ষিত, এসআই টুটুল, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও কনস্টেবল মো. মোস্তফার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।  

এ মামলায় সাবেক মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গী ও ৩১ জুলাই এর ঘটনায় টেকনাফ পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসবি/এমআরকে