এসএসসি পরীক্ষার্থীর মাথা ফাটালেন শিক্ষক

এসএসসি পরীক্ষার্থীর মাথা ফাটালেন শিক্ষক

মাদারীপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৩:৪২ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৩:৪৩ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষকের আঘাতে মারাত্মক আহত হয়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থী। মাথায় হার্ডবোর্ড নিক্ষেপ করে রক্তাক্ত করলেন কেন্দ্রে দায়িত্বরত ওই শিক্ষক। সোমবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে মাদারীপুরে আছমত আলী খান পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। পরে কেন্দ্র সচিব ও উপজেলা প্রশাসন অভিযুক্ত শিক্ষককে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।

জানা গেছে, সকাল পৌন ১০টার দিকে আছমত আলী খান পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষায় ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবুল মৃধাসহ অন্যরাও পরীক্ষায় অংশ নিতে কক্ষে প্রবেশ করে। এসময় রাকিবুল মৃধা উত্তরপত্র সম্পূর্ণ করছিলেন না এমন অভিযোগে ওই কক্ষের শিক্ষক পরিদর্শক আবুল হোসেন তার উপর ক্ষেপে যায়। এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর ব্যবহৃত হার্ডবোড তাকে ছুড়ে মারে। এতে হার্ডবোডের লোহার পাতে শিক্ষার্থী রাকিবুল মৃধার মাথা কেটে রক্ত ঝড়তে থাকে। 

পরে অন্য শিক্ষকরা দ্রুত এগিয়ে এসে ওই শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করান। এতে প্রায় আধ ঘন্টা পরে ওই শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এই ঘটনায় কেন্দ্র সচিব মো. হুমায়ন কবির তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত শিক্ষক আবুল হোসেনকে অব্যাহতি দেন। এই ঘটনায় শিক্ষার্থীর অভিবাবক ও স্থানীয়রা ক্ষোভে ফুঁসে উঠে। 

আহত শিক্ষার্থী মাদারীপুর পৌর শহরের ইউনাইটেড ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সে সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নের পূর্ব রাস্তি গ্রামের জব্বার মৃধার ছেলে। আর অভিযুক্ত শিক্ষক আছমত আলী খান পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের খন্ডকালিন ইংরেজি শিক্ষক। কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক আবুল হোসেন জানান, আমি ইচ্ছে করে ওই শিক্ষার্থীকে হার্ডবোড নিক্ষেপ করেনি। ওই ছাত্রকে বার বার বলার পরেও উত্তরপত্রের ওয়েমার ঠিক করছিল না। পরে রাগ করে হার্ডবোর্ড ছুড়ে মারলে কিছুটা কেটে গেছে। এজন্যে আমি আত্মরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

কেন্দ্র সচিব মো. হুমায়ন কবির বলেন, আমি তাৎক্ষণিকভাবে ওই শিক্ষককে সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছি। ওই শিক্ষক আছমত আলী খান পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের খন্ডকালিন ইংরেজির শিক্ষক। তাকে ওই স্কুল থেকেও অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ