‘শত ব্যস্ততার মাঝেও সাহিত্য চর্চা করে পুলিশ’

নিজস্ব প্রতিবেদকডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ২৩:২৫ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ২৩:২৭ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্য শত ব্যস্ততার মাঝেও সাহিত্য চর্চা করছেন।

শনিবার বিকেলে একুশে বইমেলায় অতিরিক্ত এসপি জয়িতা শিল্পী’র দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। বইগুলি হলো- কাব্যগ্রন্থ ‘ঘরের মধ্যে ঘর শূন্য’ ও ছোট গল্পের বই ‘মানুষের কথা’।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশ বাহিনীর কোনো কর্মঘণ্টা নেই। তারা জনগণের জন্য সারাক্ষণ পরিশ্রম করেন। তেমনি একজন কঠোর পরিশ্রমী ও মেধাবী জয়িতা শিল্পী। তার গত বছরের লেখাগুলোতেও ছিল বাস্তবতার ছোঁয়া। এ বছরেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। জয়িতার লেখার মাধ্যমে দেশ প্রেম ও জঙ্গিবাদ নির্মূল এবং সমাজের অবলা নারীদের নিয়ে বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপশি প্রতিবাদ প্রকাশ করেছেন সাহিত্যর মাধ্যমে।
 
তিনি বলেন, সমাজে জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে তরুণ প্রজন্মের যে ভূমিকা রাখা উচিত, জয়ন্তী শিল্পী তার সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে সে কাজগুলো করেছে। আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছে জয়িতা একটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। 

জয়িতা শিল্পী পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনে বিকাশ বা পরিবর্তন ঘটাতে চায় বলে তাকে সাধুবাদ জানান ডিএমপি কমিশনার। পাশাপশি তার এই প্রতিবাদী সাহিত্যচর্চা ধারাবাহিকতা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

নিজের লেখা দুটি বই সম্পর্কে জানতে চাইলে জয়িতা শিল্পী বলেন, আমার ‘ঘরের মধ্যে ঘর শূন্য’ বইয়ে প্রায় ১০০টি কবিতা রয়েছে। যার বেশিরভাগ অংশই বঙ্গবন্ধু ও স্বদেশপ্রেম নিয়ে লেখা, পাশাপাশি সমাজের নারী জাগরণসহ প্রতিবাদী বিষয়গুলোও রয়েছে।

‘মানুষের কথা’ বই সর্ম্পকে তিনি বলেন, বইটিতে ১৫টি ছোট গল্প রয়েছে। যেহেতু আমি একজন পুলিশ কর্মকর্তা, নারীরা যে বিষয়গুলো আমাদের কাছে কথাগুলো বলতে আসে, সেসব নারীদের বাস্তব চিত্র গল্পে তুলে ধরেছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/রাজু/আরএইচ/জেডআর