এপ্রিলের বেতন চলতি মাসের শেষে

এপ্রিলের বেতন চলতি মাসের শেষে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:১২ ৫ এপ্রিল ২০২০  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান তথা পোশাক শ্রমিকদের তিন মাসের বেতন-ভাতার পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিলের সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ তহবিল থেকে চলতি মাসের বেতন এপ্রিলের ৩০ তারিখেই দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

রোববার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিতি থেকে তিনি এ কথা বলেন।

ফজলে কবির বলেন, রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক কর্মচারীদের বেতনের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। সেটা দিয়ে এপ্রিল, মে ও জুন মাসের বেতন দেয়া হবে। সেটির সম্পূর্ণ গাইডলাইন বাংলাদেশ ব্যাংক এরইমধ্যে ইস্যু করেছে। আশা করছি এপ্রিলের বেতন চলতি মাসের শেষ তারিখেই দিতে পারবো।

তিনি বলেন, আমি মনে করি প্রধানমন্ত্রী যেসব প্যাকেজের ঘোষণা দিয়েছেন এগুলো বাস্তবায়ন করলে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। আমরা কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবো।

গভর্নর বলেন, নভেল করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব উত্তরণে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যাপ্ত তারল্যের জোগান স্বাভাবিক রাখাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। এই তারল্য অর্থনীতির বিভিন্ন খাত উপখাতে সুষ্ঠুভাবে সঞ্চালন নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কয়েকটি পুনঃঅর্থায়নের তহবিলের আকার বৃদ্ধি করেছে। ১ এপ্রিল থেকে তফসিলি ব্যাংকে ক্যাশ রিসার্ভ রেশিও হার (সিআরআর) হ্রাস করে, সাপ্তাহিক গড় ভিত্তিতে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। যা আগে ৫.৫ শতাংশ ছিল। এর ফলে ব্যাংকসমূহ হাতে অতিরিক্ত ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা জমা থাকবে, যা দিয়ে তারা তারল্য সংকট মেটাবে। ব্যাংকিং খাতে পর্যাপ্ত তারল্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুদ হার বার্ষিক শতকরা ৬ ভাগ থেকে ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়েছে। যার ফলে ব্যাংকের তারল্য জোগাড় করতে কম ব্যয় হবে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত এক সার্কুলার জারি করেছে। সার্কুলার অনুযায়ী, এই প্যাকেজ থেকে বিনা সুদে ঋণ পাবে উৎপাদনের ন্যূনতম ৮০ শতাংশ পণ্য রফতানি করছে-এমন সচল প্রতিষ্ঠান। ঋণের অর্থ দিয়ে কেবল শ্রমিক-কর্মচারীদের এপ্রিল, মে এবং জুন এ তিন মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে। সুদবিহীন এ ঋণে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ নিতে পারবে ব্যাংকগুলো।

ডেইলি বাংলাদেশ/এস