এপিবিএনের চেকপোস্টে গুলি করা হয় সিনহাকে

এপিবিএনের চেকপোস্টে গুলি করা হয় সিনহাকে

কক্সবাজার প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:২২ ১২ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৪:৩০ ১২ আগস্ট ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহাকে যেখানে গুলি করা হয় তা ছিল এপিবিএনের চেকপোস্ট। সেখানে শুধু এপিবিএনের সদস্যরাই দায়িত্ব পালন করেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক।

তবে অভিযানের আগে এপিবিএনকে কোনো তথ্য দেয়া হয়েছিল কিনা তাও স্পষ্ট জানা যায়নি। আর যাদের অভিযানে মৃত্যু হয়, তাদের পরনে পুলিশের পোশাক ছিল না;  সবাই সাদা পোশাকে ছিলেন।

শামলাপুর চেকপোস্টের পাশেই অবস্থিত বায়তুন নুর জামে মসজিদের খতিব ও ইমাম হাফেজ শহীদুল ইসলাম বলেন, গুলির শব্দ শুনে ছাদে আসলাম। ছাদে আসার পর দেখলাম পর পর আরো তিনটি গুলি করা হলো। যাকে গুলি করা হচ্ছিল তিনি হাত উপরে তুলে হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন। যিনি গুলি করেছেন তিনি সিভিল ড্রেসে ছিলেন বলেও জানান তিনি।

শামলাপুর চেকপোস্ট যেখানে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহাকে গুলি করা হয় সেখানে মঙ্গলবার তিনজন এপিবিএনের সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। তারা জানান, তিনদিন হলো তারা এই চেকপোস্টে যোগ দিয়েছেন। এই পোস্টে পুলিশের কোনো সদস্য দায়িত্ব পালন করেন না।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকতসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ছিলেন সাদা পোশাকে। প্রদীপ কুমার ও লিয়াকত ছাড়া অন্যদের স্থানীয়রা চিনতে পারেনি।

ছবি: সংগৃহীত১৬-এপিবিএন অধিনায়ক এসপি হেমায়েতুল ইসলাম, এ চেকপোস্টে এপিবিএন'র সদস্যরাই দায়িত্ব পালন করেন। তবে, এ চেকপোস্টের পাশে জেলা পুলিশের তদন্ত কেন্দ্র আছে। সেখানে একজন ইনচার্জের তত্ত্বাবধানে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গাড়ি তল্লাশি করেন। ঘটনার দিন এপিবিএনের সদস্যরা চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করছিলেন আর পাশেই জেলা পুলিশের তদন্ত কেন্দ্রে দায়িত্বরত ইনচার্জ একটি গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি করেন।

গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভের টেকনাফ থানার শামলাপুর পুলিশ চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম