একনজরে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ

একনজরে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ

স্পোর্টস ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:১০ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ড সফর দিয়ে ২০১৯ সালের ক্রিকেট মাঠের লড়াই শুরু হবে বাংলাদেশের।

বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড ও সফরকারী বাংলাদেশের মধ্যকার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। 

সীমিত ওভারের লড়াই শুরুর আগে সংখ্যার বিচারে দেখে নেওয়া যাক দু’দলের মধ্যকার ওয়ানডে লড়াইয়ের উল্লেখযোগ্য কিছু পরিসংখ্যানঃ-

হেড টু হেড
১৯৯০ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত মোট ৩১টি ওয়ানডে ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ম্যাচে জয়ের হাসিতে মেতেছে কিউইরা। বাংলাদেশের ১০ জয়ের বিপরীতে ২১টি ওয়ানডেতে জয় পেয়েছে ব্ল্যাকক্যাপরা।

সর্বোচ্চ রানের ইনিংস
পরস্পর মুখোমুখির পরিসংখ্যানের মতো এখানেও এগিয়ে কিউইরা। বাংলাদেশের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ৫বার ৩০০ বা এর চেয়ে বেশি রানের ইনিংস খেলেছে দলটি। যার মধ্যে ২০১৬ সালে ঘরের মাঠে ৭ উইকেটে ৩৪১ রানের ইনিংসটি তাদের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।

কিউইদের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত একবারই ৩০০ এর অধিক রান করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৩ সালে ব্ল্যাকক্যাপদের হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দেওয়া ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমে ৬ উইকেটে ৩০৯ রান করেছিল টাইগাররা। যা ওয়ানডেতে দলটির বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।

 
শীর্ষ ৫ রান সংগ্রাহক
দু’দলের মধ্যকার ওয়ানডে লড়াইয়ে সবচেয়ে বেশি রান সংগ্রাহক রস টেলর। ২০ ম্যাচ থেকে ২ শতক ও ৬ অর্ধশতকে ৭৮৬ রান সংগ্রহে তার। পরের চার অবস্থানে রয়েছেন যথাক্রমে চারজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। ৫৭৫ রান নিয়ে সাকিব আল হাসান দুইয়ে, ৫৩০ রান নিয়ে তামিম ইকবাল তিনে, ৫১৬ রান নিয়ে মুশফিক চারে ও ৫০১ রান নিয়ে তালিকার পাঁচে রয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি রান ও অর্ধশতকের মালিক রস টেলর।

সবচেয়ে বেশি শতক
উভয় দলের ওয়ানডে লড়াইয়ে সর্বাধিক দুটি করে শতকের ইনিংস রয়েছে তিনজন ক্রিকেটারের। যার মধ্যে দুজন হচ্ছেন বাংলাদেশি ও একজন কিউই ক্রিকেটার। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সাকিব আল হাসানের সাথে দুটি করে শতক হাঁকিয়ে তালিকায় আছেন রস টেলর।

সবচেয়ে বেশি অর্ধশতক
দু’দলের লড়াইয়ে সবচেয়ে বেশি অর্ধশতক রস টেলরের। তার ৬ অর্ধশতকের বিপরীতে ৫টি অর্ধশতকের ইনিংস রয়েছে বাংলাদেশের তামিমের।
 
শীর্ষ ৫ উইকেট শিকারি বোলার
৩৫ উইকেট নিয়ে এ তালিকার সবার শীর্ষে রয়েছেন সাকিব আল হাসান। তার থেকে ২ উইকেট কম নিয়ে তালিকার দুইয়ে কাইল মিলস, ৩১ উইকেট নিয়ে তিনে ড্যানিয়েল ভেট্টোরি, ২১ উইকেট নিয়ে চারে রুবেল হোসেন ও ১৯ উইকেট নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে আছেন জ্যাকব ওরাম।

ওয়ানডে মিস করায় যেই রেকর্ড হাতছাড়া সাকিবের
কিউইদের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারি বোলার সাকিব।

সেরা বোলিং ফিগার
দু’দলের ওয়ানডে লড়াইয়ে এখনো পর্যন্ত মাত্র তিনজন বোলার ইনিংসে ৫ উইকেট নিতে সক্ষম হয়েছেন। যার মধ্যে দুজন বাংলাদেশের ও একজন নিউজিল্যান্ডের। এর মধ্যে সেরা বোলিং ফিগার রুবেল হোসেনের (৫.৫-০-২৬-৬)।

সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল
এ তালিকায় সবার উপরে রয়েছে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের নাম। ৩৩ ক্যাচ ও ৩ স্টাম্পিংসহ তার মোট ডিসমিসাল সংখ্যা ৩৬। তার আশেপাশেও নেই কেউ। ১৫ ক্যাচ ও ৩  স্টাম্পিং নিয়ে তালিকার এরপরের অবস্থানে রয়েছেন মুশফিকুর রহিম।

সবচেয়ে বেশি ক্যাচ
এ রেকর্ডটি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। দু’দলের ওয়ানডে লড়াইয়ে সর্বোচ্চ ৯টি ক্যাচ তালুবন্দী করেছেন বাংলাদেশের এ অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।

সবচেয়ে বেশি ম্যাচ
বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ওয়ানডে লড়াইয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। এখনো পর্যন্ত মোট ২২টি ওয়ানডে খেলেছেন তিনি।

অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ
ড্যানিয়েল ভেট্টরির দখলে এ রেকর্ডটি। মোট ১৬টি ওয়ানডেতে অধিনায়কত্ব করেছেন তিনি। যার মধ্যে দল জিতেছে ১১বার আর পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে ৫বার।
 
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭টি করে ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন মাশরাফি ও সাকিব। যা দু’দলের মধ্যকার ওয়ানডে লড়াইয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আসন্ন এ সিরিজে সাকিবকে টপকে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন মাশরাফি।
এই ছিল মোটামোটি অতীতের পরিসংখ্যান। এবার দেখা যাক আসছে সিরিজে নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশ তাদের খেলার পরিসংখ্যান কত বাড়াতে পারে।

ডেইলি বাংলাদেশ/সালি