Alexa একদিনের ভ্রমণে ‘ইলিশের দেশ’ চাঁদপুর!

একদিনের ভ্রমণে ‘ইলিশের দেশ’ চাঁদপুর!

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১১:১৩ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১১:৩৬ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

কেউ বলেন মেঘনা কন্যা চাঁদপুর, কেউ বলেন রূপসী, আবার কেউ বলেন ইলিশের দেশ চাঁদপুর। মেঘনা-ডাকাতিয়া আর ধনাগোদা নদীর জলধারায় বিধৌত দেশের অন্যতম বাণিজ্য বসতির জনপদ এই জেলা। বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌবন্দরও গড়ে উঠেছে শহরটিকে ঘিরে।

‘গেইট ওয়ে অব ইস্টার্ন ইন্ডিয়া’ নামে চাঁদপুর ছিল এক সময়ের মহকুমা শহর। চাঁদপুর হাজার বছরের প্রাচীন জনপদ। বাংলার স্বাধীন সুলতানদের সময় থেকে প্রাচীন বাংলায় চাঁদপুর ছিল এক সমৃদ্ধ নগরী। বিশিষ্ট চাঁদ ফকির, জমিদার চাঁদ রায় ও ধর্ণাঢ্য বণিক চাঁদ সওদাগরের নামে এই জেলার নামকরণ হয় চাঁদপুর। চাঁদপুরের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে হাজারো প্রত্নসম্পদ।

চাঁদপুরে শুধু মাত্র ইলিশের স্বাদ নেয়ার জন্যই যাওয়া যায়। কেমন হয়? বাজার থেকে টাটকা ইলিশ কিনে আনা কিংবা ইলিশের স্বাদে বুঁদ হয়ে সারাটা দিন মেঘনার তীরে বসে থাকলে! পাশে যদি প্রিয়জন থাকে তাহলে কোনো কথাই নেই।

চাঁদপুরের ইলিশ বাজার বড় স্টেশনের কাছেই। তাই বিকেলের সময়টা নদী মোহনায় কাটিয়ে সন্ধ্যায় চলে যেতে পারেন ইলিশ বাজারে। পছন্দমত রূপালি ইলিশ কিনে সাথে নিয়ে আসার জন্যও আছে সুব্যবস্থা এখানে। আর ইলিশ খেতে চাইলে চাঁদপুর বড় ষ্টেশন থেকে ট্রলার অথবা নৌকায় করে রাজরাজেশ্বর চর চলে আসুন, সময় লাগবে ৩০ মিনিট। রাজরাজেশ্বর চরের ঘাট থেকে অল্প দূরে অবস্থিত মনু মিয়ার হোটেলে ইলিশ ভাজা, ইলিশ মাছের ডিম কিংবা ইলিশের তরকারি খেতে পারবেন।

একদিনের ভ্রমণের জন্য চাঁদপুর ভ্রমণ বেশ জনপ্রিয়। ঢাকা থেকে লঞ্চে করে চাঁদপুর যেতে প্রায় চার ঘণ্টা সময় লাগে। তাই দিনে চাঁদপুর গিয়ে রাতে ঢাকা ফিরে আসতে পারবেন। তবে সবচেয়ে ভাল হয় রাত ১২ টার দিকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে লঞ্চে যাত্রা করে সারাদিন ঘুরে আবার রাত ১২ টার লঞ্চে ফিরে আসা। এক্ষেত্রে দুই রাত লঞ্চে থাকার কারণে আপনাকে হোটেলে রাত্রি যাপন করতে হবে না। আর যদি আপনার ভ্রমণ হয় কোন জ্যোৎস্না রাতে তাহলে তো সোনায় সোহাগা।

ইলিশ খাওয়া কিংবা এক দিনের ভ্রমণে ঢাকা হতে চাঁদপুর দিনে গিয়ে রাতের মধ্যে ফিরে আসা যায়। আর এই ডে লং ট্যুরই চাঁদপুর ভ্রমণে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় তবুও পর্যটকদের রাত্রি যাপনের কথা বিবেচনা করে এখানে হোটেল তাজমহল, হোটেল শ্যামলী, হোটেল জোনাকী ছাড়াও বেশকিছু আবাসিক হোটেল গড়ে তোলা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে