একজন নারী গর্ভে ৬৯টি সন্তান ধারন করতে সক্ষম! রইলো আরো তথ্য

একজন নারী গর্ভে ৬৯টি সন্তান ধারন করতে সক্ষম! রইলো আরো তথ্য

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৪:৫৭ ২ জুন ২০১৯  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবী বিষ্ময়কর বস্তুতে যেন ঠাঁসা। রহস্যময় এই বিশ্বে তাই তো অবাক হওয়ার মত বিষয়ের অভাব নেই। প্রতিনিয়ত অবাক করা সব তথ্য আমাদের সামনে এসে হাজির হয়। এমনই ২০টি তথ্য সম্পর্কে জেনে নিন-

১। সন্তান জন্ম দেয়া নারীদের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু আপনি জানেন কি, প্রতি ৯০ সেকেন্ডে একজন নারী মৃত্যুবরণ করেন গর্ভবতী অবস্থায় অথবা সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে।

২। বিশ্বাস করুন আর না-ইবা করুন, একজন নারী প্রতিদিন গড়ে ২০০০০ শব্দ বলে, যেখানে একজন পুরুষ বলে গড়ে ৭০০০ শব্দ। যারা বিয়ে করেননি তারা হয়তো নাও মানতে পারেন কিন্তু বিবাহিত পুরুষ মাত্রই এটা শুনে নিজের সমর্থন প্রকাশ করবে।

৩। প্রবাদ আছে প্রতিটি পুরুষের সফলতার পেছনে একজন নারী থাকে। কিন্তু আপনি জানেন কি, পৃথিবীর সর্বোচ্চ ধনী নারীদের মধ্যে ৯০ ভাগই ধনী হয়েছেন তাদের বাবা অথবা স্বামীর সম্পদে।

৪। প্রাচীন রোমের নারীরা গ্লাডিয়েটরদের শরীরের ঘাম নিজেদের শরীরে মাখতেন নিজেদের রূপ-সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে।

৫। রাশিয়াতে পুরুষের থেকে মহিলা বেশি আছে প্রায় ৯০ লাখ জন। পুরুষরা পাড়ি জমাবেন নাকি রাশিয়াতে

৬। নিজের ১৪ তম সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা গিয়েছিলেন সম্রাট শাহজাহানের প্রিয়তমা স্ত্রী মমতাজ। একজন নারীর পক্ষে ঘন ঘন সন্তান জন্ম দেয়া স্বার্থহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, নিতে পারে মৃত্যুর মুখেও। কিন্তু একজন মহিলার গর্ভে সর্বোচ্চ সন্তান জন্ম দেয়ার সংখ্যাটি ৬৯। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন এটা ৬৯।

৭। পুরুষ দিনে প্রায় ৬ বার মিথ্যা কথা বলে, যা নারীর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। নারীরা এটা পড়ে নিশ্চয়ই হেসেই হবেন খুন। 

৮। সব থেকে কম বয়সে ডিভোর্স পেয়েছে যে মেয়ে তার বয়স মাত্র ১০ বছর। তার নাম ইয়েমেনের নুজুদ আলী। ভাবা যায় ১০ বছর বয়সে তো তার বিয়েই হওয়ার কথা নয়, কিন্তু এই বয়সে তাকে ডিভোর্সও দেয়া হয়েছে।

৯। নারীদের জন্য সব থেকে বড় ঘাতক হচ্ছে হৃদরোগ।

১০। নারীদের জিহ্বায় পুরুষদের থেকে বেশি স্বাদকোরক থাকে। ফলে তারা খুব দ্রুত এবং ভালোভাবে কোনো কিছুর স্বাদ বুঝতে পারেন।

১১। একজন নারী বছরে গড়ে ৩০ থেকে ৬৪ বার কান্না করেন। যেখানে একজন পুরুষ গড়ে কান্না করেন ৬ থেকে ১৭ বার।

১২। কিছু নারী জেনেটিক পরিবর্তনের কারণে লক্ষাধিক রং দেখতে পায়।

১৩। এক জরিপে ৬৮ শতাংশ মহিলা বলেছেন তারা একই সঙ্গে দ্বিতীয় একটি সম্পর্কে জড়াবেন যদি এটা নিয়ে কোনো সমস্যা না হয়। অর্থাৎ পরিবার বা সমাজ যদি মেনে নিত তাহলে দ্বিতীয় সম্পর্কের প্রতি তাদের আগ্রহ বাস্তবে রূপ নিত।

১৪। পুরুষদের থেকে মহিলাদের হৃৎস্পন্দন দ্রুত হয়।

১৫। নারীরা নিজেদের সৌন্দর্যের প্রশংসা শুনতে পছন্দ করলেও মাত্র ২ শতাংশ নারী নিজের সৌন্দর্যের প্রশংসা নিজেই করে।

১৬। একজন নারী গড়ে প্রতি মিনিটে ১৯ বার চোখের পলক ফেলে, যা পুরুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। অবশ্য পুরুষ পলক কম ফেলারই কথা। নারীর রূপের ঝলকে পুরুষের চোখের পলক কম পড়বে সেটাই তো স্বাভাবিক, তাই না!

১৭। নারীরা পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি দুঃস্বপ্ন দেখে এবং তাদের আবেগী স্বপ্নের সংখ্যাও ঢের বেশি।

১৮। লম্বা নারী দেখলেই আশপাশের সবাই একটু বেশি সময় নিয়েই তাকে দেখে থাকেন আমাদের দেশে। কারণ সচরাচর বেশি লম্বা নারী দেখতে পাওয়া ভার। কিন্তু এটা যে খুব একটা ভালো কিছু না তা জানিয়েছেন একদল গবেষক। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, লম্বা নারীদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

১৯। নারীরা তাদের পুরো জীবনের মধ্যে থেকে প্রায় এক বছর কাটিয়ে দেন এই চিন্তা করে যে, তিনি আজ কোন জামাটি পরবেন।

২০। নাইজার মহিলাদের গড়ে ৭টি করে সন্তান রয়েছে, যা পৃথিবীর সর্বোচ্চ গড় মাথাপিছু সন্তানের হিসাব।

ডেইলি বাংলাদেশজেএমএস