ঋণ পরিশোধে জাল টাকার ব্যবহার করতেন সাহেদ

ঋণ পরিশোধে জাল টাকার ব্যবহার করতেন সাহেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

প্রকাশিত: ১৬:৪৯ ১৫ জুলাই ২০২০   আপডেট: ১৭:০১ ১৫ জুলাই ২০২০

জাল টাকার ফাইল ছবি (বামে), গ্রেফতার মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম (ডানে)।

জাল টাকার ফাইল ছবি (বামে), গ্রেফতার মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম (ডানে)।

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তার উত্তরার গোপন বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানে সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। একইসঙ্গে উদ্ধার করা জাল টাকার ব্যাপারে চাঞ্চল্যকর তথ্যও পাওয়া গেছে। সাহেদ বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে নেয়া ঋণের টাকা জাল নোট দিয়ে পরিশোধে ব্যবহার করতেন বলে স্বীকার করেছেন।

সাহেদের দেয়া তথ্যে র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোডের ৬২ নম্বর বাড়ি সাহেদের গোপন বাসা হিসেবে পরিচিত। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা উদ্ধার করা হয়। সেই গোপন বাসায় থাকা জাল টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ করতেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে টাকা না পেয়ে ভুক্তভোগীরা এসব টাকা পেয়ে খুশি হয়ে যেতেন। 

কিন্তু জাল টাকা নেয়ার পর বিপাকে পড়লে সাহেদের কাছে ফিরে আসতেন ভুক্তভোগীরা। তখন সাহেদ তাদের বলত, ‘আমি আপনাদের ঋণ পরিশোধ করেছি। এখন বলছেন জাল টাকা দিয়েছি। এখন কি করবেন, মামলা করুন আমার নামে।’

এর আগে বুধবার ভোরে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অস্ত্রসহ সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। সেখান থেকে হেলিকপ্টার যোগে তাকে ঢাকার র‌্যাব সদর দফতরে আনা হয়। সেখানে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তার গোপন বাসায় অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব।

তারও আগে গত ৬ জুলাই সাহেদের মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর থেকেই সাহেদ নিজেকে আত্মগোপন করতে দেশের বেশ কয়েকটি জায়গায় পালিয়ে ছিলেন। সাহেদ এতোটাই চতুর যে, গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন সময়ে ছদ্মবেশ ধারণ করেছেন। নিজের গোঁফ ফেলে দিয়েছিল। এমনকি মাথার সাদা চুল কলপ লাগিয়ে কালো করেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ